নানাবাড়ির আঙিনায় চিরনিদ্রায় শায়িত কারিনা কায়সার

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা ফুটবলার কায়সার হামিদের মেয়ে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) সকাল ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কারিনার নানা বাড়ির আঙিনায় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে, এদিন সকাল ৭টার দিকে অ্যাম্বুলেন্স করে ঢাকা থেকে তার মরদেহ গজারিয়ায় নিয়ে আসা হয়। এ সময় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
প্রয়াত কারিনা কায়সার উপজেলার পুরান বাউশিয়া সরকার বাড়ির মৃত ডা. আবুল খায়ের বাচ্চু ও ডা. জোহরা খানম পারুলের নাতনী।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় রোববার রাতের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতেই কারিনার মরদেহ নেওয়া হয় গজারিয়ায়। তার নানা বাড়ি পুরান বাউশিয়া গ্রামে হলেও নানি ডা. জোহরা খানম পারুলের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের বাগানবাড়িতে মরদেহ রাখা হয় এবং সেখানেই দাফনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।

এদিন জানাজায় স্থানীয় লোকজন অংশ নেন। তবে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আবহে সম্পন্ন করা হয়। সেখানে মোবাইল বা ক্যামেরা নিয়ে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এমনকি গণমাধ্যমকর্মীদেরও ঘটনাস্থল থেকে দূরে থাকার অনুরোধ জানানো হয়।
কারিনার ভাই সাদ্দাফ হামিদ বলেন, এই বাড়িটা আম্মু ও কারিনা আপুর অনেক পছন্দের একটা জায়গা। আমাদের বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে, আম্মু স্থির হলে আমরা তা বাস্তবায়ন করব।
উল্লেখ্য, কারিনা কায়সার দীর্ঘদিন ধরে লিভারজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার (১১ মে) রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৫ মে) তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
