সাতক্ষীরায় পৃথক স্থান থেকে তিন মরদেহ উদ্ধার

সাতক্ষীরায় পৃথক স্থান থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ জুন) জেলা সদর, কলারোয়া ও আশাশুনি উপজেলা থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর বেড়বাড়ি গ্রামে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় অমিত হাসান নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার সকালে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, অমিত হাসান অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ছিলেন। তিনি নিয়মিত মাদকসেবন করতেন। জুয়া খেলার জন্য অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ঋণ করেছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, এ সব কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
একই দিন সকালে কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ গ্রামের একটি মোবাইল টাওয়ারের পাশ থেকে মেহেদী হাসান নামে আরেক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, ধারণা করা হচ্ছে মেহেদী হাসানকে হত্যার পর মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়।
কলারোয়া থানার ওসি মো. শাহিন জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত করছে।
এদিন আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের বেউলা লম্বাডাঙ্গা খাল থেকে আব্দুর রহিম নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আব্দুর রহিম উপজেলার শ্বেতপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং ফরিদ উদ্দীনের ছেলে।
আশাশুনি থানার ওসি শামীম আহমেদ খান জানান, আব্দুর রহিম প্রায় ১৪ বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। তাকে অধিকাংশ সময় শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। মাঝে-মধ্যে শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উন্নতি হলে তিনি ভোরে নামাজ আদায়ের জন্য বাড়ি থেকে বের হতেন। শুক্রবার ভোরেও তিনি নামাজ পড়তে বের হয়েছিলেন।
