কামড় খেয়ে সাপ নিয়েই হাসপাতালে গেলেন কৃষক

সাপের কামড়ে অসুস্থ হওয়ার পর সাপ নিয়ে হাসপাতালে হাজির হন এক কৃষক। চিকিৎসকেরা জানান, মরা সাপ সঙ্গে আনার কারণে চিকিৎসকদের জন্য সঠিক প্রতিষেধক (অ্যান্টিভেনম) নির্বাচন সহজ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় এই ঘটনা ঘটেছে। আহত কৃষকের নাম মো. পালন। তিনি উপজেলার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।
পারিবারিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে জমিতে কৃষিকাজ করছিলেন পালন। হঠাৎ গর্ত থেকে একটি সাপ বেরিয়ে তার পায়ে কামড় দেয়। ঘটনার পরপরই তিনি সাপটির পিছু ধাওয়া করে সেটিকে পিটিয়ে মেরে বস্তাবন্দি করেন।
এরপর স্বজনেরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানে প্রাথমিক পর্যালোচনার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্বজনেরা মো. পালনের পাশাপাশি বস্তাবন্দি সাপটিকেও রামেকে নিয়ে হাজির হন।
রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসার পর বর্তমানে পালন ওয়ার্ডে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. পালন বলেন, জমিতে কাজ করার সময় হঠাৎ সাপটি কামড় দেয়। বিষাক্ত কি না নিশ্চিত হওয়া এবং চিকিৎসার সুবিধার্থে মারার পর সাপটি বস্তায় ভরে সঙ্গে করে হাসপাতালে নিয়ে আসি।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ বলেন, সাপের কামড়ে আহত কৃষক মো. পালনকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সাপটি সঙ্গে আনায় প্রজাতির ধরন নিশ্চিত হতে চিকিৎসকদের সুবিধা হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন এবং ঝুঁকিমুক্ত রয়েছেন।
.png)


