logo
Advertisement

রাজবাড়ীতে পদ্মাসহ ৩ নদীতে বাড়ছে পানি

এশিয়া পোস্ট নিউজ,রাজবাড়ী
রাজবাড়ীতে পদ্মাসহ ৩ নদীতে বাড়ছে পানি
উজান থেকে আসা ঢলে রাজবাড়ীর নদ-নদীতে বাড়ছে পানি। নদীর পানির উচ্চতা পরিমাপের জন্য পয়েন্টে বসানো হয়েছে স্কেল। ছবি: এশিয়া পোস্ট

উজান থেকে নেমে আসা ঢলে রাজবাড়ীর পদ্মা, হরাই ও গড়াই নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২০ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে নদ-নদীর পানির উচ্চতা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। তবে এখনও কোনো পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। ফলে এই মুহূর্তে বন্যার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড।

Advertisement

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ৯টায় গোয়ালন্দ পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি ৭ দশমিক ৩৬ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল। এই পয়েন্টে বিপৎসীমা ৮ দশমিক ২০ মিটার, অর্থাৎ পানি বিপৎসীমার ৮৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে পদ্মা ও হরাই নদীর পানি ছিল ৮ দশমিক ৩৩ মিটার। এখানে বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৫০ মিটার, অর্থাৎ পানি বিপৎসীমার ২ দশমিক ১৭ মিটার নিচে রয়েছে।

সেংগ্রাম পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫০ মিটারে। এই পয়েন্টে বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৫২ মিটার, অর্থাৎ পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ০২ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে কামারখালী ব্রিজ পয়েন্টে গড়াই নদীর পানি ৬ দশমিক ৯৯ মিটার উচ্চতায় রয়েছে। এই পয়েন্টে বিপৎসীমা ৭ দশমিক ৭৫ মিটার; অর্থাৎ পানি বিপৎসীমার ৭৬ সেন্টিমিটার নিচে অবস্থান করছে।

গত ৩০ আগস্ট সকাল ৯টার তুলনায় ৩১ আগস্ট একই সময়ে গোয়ালন্দে পানি ৫ সেন্টিমিটার, মহেন্দ্রপুরে ৪ সেন্টিমিটার, সেংগ্রামে ৭ সেন্টিমিটার এবং কামারখালী ব্রিজে ৪ সেন্টিমিটার বেড়েছে।

অন্যদিকে ২০ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ১১ দিনে গোয়ালন্দে ৬৫ সেন্টিমিটার, মহেন্দ্রপুরে ৭০ সেন্টিমিটার, সেংগ্রামে ৮৯ সেন্টিমিটার এবং কামারখালী ব্রিজে ৭৪ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে।

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তাজমিনুর রহমান বলেন, কয়েক দিন ধরে উজানের ঢলে পদ্মায় পানির উচ্চতা বাড়ছে। তবে এখন পর্যন্ত জেলার কোনো পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তাই এই মুহূর্তে বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই।

তিনি আরও জানান, পদ্মার ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ চলমান রয়েছে। নতুন করে কোথাও ভাঙন দেখা দিলে সেখানে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নদীপাড়ের মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নদ-নদীর পানি পরিস্থিতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে।

এদিকে পানি বৃদ্ধির কারণে নদীতীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিলেও এখনো জেলার কোথাও পানি বিপৎসীমা ছাড়ায়নি।

বিষয় :