logo

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রার্থীদের মুখে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রার্থীদের মুখে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রচারে নেমেছেন প্রার্থীরা। প্রচারের সময় তারা বিভিন্ন উন্নয়ন ও পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছেন ভোটারদের। সব মিলিয়ে নির্বাচনি এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি আসনে প্রার্থীরা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাতদিন সমানতালে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত গণসংযোগ ও সভা-সমাবেশ। অন্যদিকে কর্মীরাও ব্যস্ত প্রার্থীর প্রচার নিয়ে।

ভোটের প্রচারের সময় প্রার্থীরা জনসাধারণকে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পাশপাশি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরছেন। বিশেষ করে বড় দুটি দলের নেতারা বাক্যবাণে একে অপরকে ঘায়েল করে ভোটারদের নিজেদের পক্ষে টানার চেষ্টা করছেন। তবে এ সময় প্রার্থী বা তাদের নেতাদের বক্তব্যে যেন শালীনতা বজায় থাকে এবং নির্বাচন যেন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়, প্রতিহিংসার যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য সাধারণ মানুষ মনে করছেন।

এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আচরণবিধি মানতে প্রার্থীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের প্রত্যাশা, একটি সুন্দর নির্বাচন সম্পন্ন করা।

গণসংযোগকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক শাহজাহান মিঞা ধানের শীষে ভোট চেয়ে শিবগঞ্জবাসীর উন্নয়নের অংশীদার হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই আসনের জামায়াত প্রার্থী ড. কেরামত আলী দাঁড়িপাল্লায় ভোট চেয়ে শিবগঞ্জবাসীর উন্নয়নের সুযোগ চেয়েছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) বিএনপির প্রার্থী আমিনুল ইসলামও ধানের শীষে ভোট চেয়ে উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরেন। জামায়াত প্রার্থী ড. মিজানুর রহমান জনসাধারণের কাছে দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করেন।  

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে বিএনপি প্রার্থী হারুনুর রশীদ পথসভা ও গণসংযোগকালে বলেন, এর আগে আমাকে ভোট দিয়ে ৫ নির্বাচিত করেছিলেন। তবে অনেক উন্নয়নকাজ বাকি রয়েছে। এবার নির্বাচিত হয়ে সেসব কাজ যেন সম্পন্ন করতে পারি সে জন্য ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করবেন। একই আসনে জামায়াত প্রার্থী নূরুল ইসলাম বুলবুল সদর উপজেলার উন্নয়নে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে সুযোগ চান।