logo

সিডিএর নতুন চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত

এশিয়া পোস্ট নিউজ
এশিয়া পোস্ট নিউজ, চট্টগ্রাম
সিডিএর নতুন চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত
ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নতুন চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন। তিনি বিদায়ী চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিমের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৮’-এর ধারা ৭(১) অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনকে গ্রেড-২ পদে সিডিএর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে আগামী এক বছরের জন্য তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, আমি সিডিএর চেয়ারম্যান পদে নিয়োগপ্রত্যাশী ছিলাম। দল আমাকে মূল্যায়ন করেছে। আমি এর সর্বোচ্চ প্রতিদান দেব। আমার দলের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মুছাপুর গ্রামের কাইছের গো নতুন বাড়ির সন্তান। তার বাবা মরহুম মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি ১৯৭৭ সালে এসএসসি, ১৯৭৯ সালে এইচএসসি এবং ১৯৮৫ সালে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করেন। তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ছাত্রদলের মাধ্যমে। তিনি ১৯৮৪ সালে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ছাত্রদলের সভাপতি এবং ১৯৮৬ সালে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও পলিটেকনিকের নির্বাচিত জিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পরে তিনি সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য এবং সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপির ১ নম্বর সদস্য এবং উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পদে রয়েছেন। ২০১৪ সালে তিনি বিএনপির মনোনয়নে সন্দ্বীপ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ ছাড়া ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারাবন্দি থাকা অবস্থায় দল তাকে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছিল। রাজনৈতিক কারণে ২০০৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বিভিন্ন সময়ে কারাবরণ ও আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছেন।