logo

মিছিলের সময় সৌদিতে, তবুও মামলায় আসামি ইলিয়াস

মিছিলের সময় সৌদিতে, তবুও মামলায় আসামি ইলিয়াস
মো. ইলিয়াস। ছবি : পারিবারি সূত্রে পাওয়া

জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন নোয়াখালীর ইলিয়াস। সেখানে যাওয়ার আট দিন পর জানতে পারেন, দেশে করা একটি মিছিলের মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে। ইলিয়াসের দাবি, মামলার ঘটনার সময় তিনি জেদ্দায় অবস্থান করছিলেন।

ইলিয়াস সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আবিরপাড়া-শোকরপুর গ্রামের নতুন বাড়ির শামছুল হকের ছেলে।

পরিবারের ভাষ্য, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের প্রায় দুই মাস পর ইলিয়াস সৌদি আরবে যান। পরে চলতি বছরের ২০ মে ছুটিতে দেশে ফেরেন। এরপর গত ১২ সেপ্টেম্বর আবার জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে যান তিনি। এর আট দিন পর, ২০ সেপ্টেম্বর সোনাইমুড়ী থানায় করা একটি মামলায় তাকে ১২ নম্বর আসামি করা হয়। ওই মামলায় মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

ইলিয়াসের অভিযোগ, তিনি একসময় স্থানীয় যুবলীগের কর্মী ছিলেন। সেই পরিচয়ের কারণে তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় আসামি করা হয়েছে।

ইলিয়াস বলেন, আমি গত ১২ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবে এসেছি। পরে জানতে পারি, ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে সোনাইমুড়ী হাইওয়ে সড়কে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে ওই দিনই মামলা করেছে। মামলায় আমাকেও ১২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। অথচ ওই সময় আমি সৌদি আরবে অবস্থান করছিলাম।

মামলা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কথা বলে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তার সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা দাবি করছেন বলেও অভিযোগ করেন ইলিয়াস। টাকা দিলে মামলা থেকে নাম বাদ দেওয়া হবে বলে তাকে জানানো হয়েছে বলে দাবি তার। এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নোয়াখালীর পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ইলিয়াস।

এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।