logo

তেল নিয়ে যাচ্ছেন প্রভাবশালীরা, অপেক্ষায় মোটরসাইকেল চালকরা

তেল নিয়ে যাচ্ছেন প্রভাবশালীরা, অপেক্ষায় মোটরসাইকেল চালকরা

ফেসবুকে খবর ছড়ানো হয় সকালে পাম্পে অকটেন দেওয়া হবে। ভোরের আলোর ফোটার আগে লাইনে অপেক্ষা শুরু করেন মোটরসাইকেল চালকরা। তেল দেওয়া শুরু হয় সকাল ৭টায়। ততক্ষণে লাইন পাম্প থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার ছাড়িয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে নওগাঁ পৌরসভা এলাকার মুক্তির মোড় সংলগ্ন সাকিব ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে এই দৃশ্য।

লাইনে অপেক্ষায় থাকা চালকদের অভিযোগ, কেউ ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন, আর কেউ এসেই গ্যালনে ভরে তেল নিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে তারা লাইন মানার তোয়াক্কা কছেন না। নিয়ম অমান্য করায় তেল দিতে চাইলে পাম্প কর্মীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন তারা।

মোটরসাইকেল চালক মো. রানা বলেন, আমি রাত ৩টায় এসেছি। সকাল ১০টা বাজে, পাম্পের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারিনি। অথচ মাঝখান দিয়ে প্রভাবশালী পরিচয়ে অনেকে এসে গ্যালন ভরে তেল নিয়ে চলে যাচ্ছে।’

পাম্পের কর্মচারীরা জানান, তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করার চেষ্টা করছেন অনেকে। অনেক মোটরসাইকেল চালক বিভিন্ন পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে মজুত করছেন।

সাকিব ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মোশারফ হোসেন বলেন, আমাদের ৪ হাজার ৫০০ লিটার ধারণ ক্ষমতার অকটেন ট্যাংকে তেল এসেছে ৩ হাজার ৫০০ লিটার। ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে ৪৫০০ লিটার। এই পরিমাণ তেল দিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েক হাজার মানুষকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব না।

তিনি বলেন, মানুষ যদি কেবল দৈনন্দিন চাহিদা অনুযায়ী তেল নিত এবং মজুত করার প্রবণতা ত্যাগ করত, তাহলে এই তীব্র সংকট সৃষ্টি হতো না।