খুলনায় সোনালী ব্যাংকের সাবেক ছয় কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাতজনের ১০ বছর কারাদণ্ড

খুলনায় সোনালী ব্যাংকের দৌলতপুর শাখায় আর্থিক অনিয়মের মামলায় ব্যাংকের সাবেক ছয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ও এক ব্যবসায়ীকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে সবাইকে এক কোটি ৬৩ লাখ ৭১ হাজার ৭৫২ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের আরও দুই বছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. ওয়াহেদুজ্জামান এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সোনালী ব্যাংক দৌলতপুর করপোরেট শাখার সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার মো. নজরুল ইসলাম, সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মানিক চন্দ্র মণ্ডল, সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. রুহুল আমিন, সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার মো. সিরাজুল ইসলাম, সাবেক অফিসার অজিত কুমার সরকার ও সাবেক গোডাউন কিপার মো. মতিয়ার রহমান এবং মেসার্স ইস্টার্ন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সনজিৎ কুমার দাস।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, সনজিৎ কুমার দাসের সঙ্গে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে আর্থিক অনিয়ম করা হয়।
আদালতের নথি অনুযায়ী, মামলার আসামি সনজিৎ কুমার দাস পলাতক। তিনি খুলনা ইন্ডাস্ট্রিজ প্রিমিসেস লিমিটেড (ইস্পাহানী), ভিসি রোড, দৌলতপুরে মেসার্স ইস্টার্ন ট্রেডার্স পরিচালনা করতেন।
আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মো. ইয়াসিন আলী বলেন, আদলত রায়ে সাত আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং এক কোটি ৬৩ লাখ ৭১ হাজার ৭৫২ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও দুই বছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।


