ভোলা/ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

ভোলার দৌলতখানে ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় মমতাজ ওরফে রাসু বেগম (৪৫) নামে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত কাশেম ও তার স্ত্রীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নজির ব্যাপারী বাড়ি থেকে রাসু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে দৌলতখান থানা-পুলিশ। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত রাসু বেগম ওই বাড়ির জাহাঙ্গীরের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের দেবর বজলু ব্যাপারীর ছেলে মাইনুদ্দিন জমিসংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে পাশের বাড়ির কাশেম, তার ছেলে ইকবাল ও স্ত্রী রাজিয়া বেগমের সঙ্গে নিহতের দেবর বজলুর কথা-কাটাকাটি ও সংঘর্ষ হয়।
এ সময় রাসু বেগম সংঘর্ষ থামাতে এগিয়ে গেলে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং রাত ১টার দিকে তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের দাবি।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কাশেমের ছেলে ইকবাল পলাতক রয়েছে।
নিহতের মেয়ে রুবিনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার মাকে কাশেম, ইকবাল ও রাজিয়া বেগম পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।


