Advertisement

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের শীর্ষে ফেনী, তলানিতে নোয়াখালী

এশিয়া পোস্ট নিউজ, ফেনী
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের শীর্ষে ফেনী, তলানিতে নোয়াখালী
ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ। ছবি : এশিয়া পোস্ট

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হারে শীর্ষে অবস্থান করছে ফেনী জেলা। অন্যদিকে এ তালিকায় সর্বনিম্ন স্থানে রয়েছে নোয়াখালী জেলা।

Advertisement

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।

বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ফেনী জেলা থেকে মোট ১৪ হাজার ৮৯০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১০ হাজার ৮২১ জন, যার মধ্যে ৪ হাজার ৩৪৭ জন ছাত্র এবং ৬ হাজার ৪৭৪ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ১৩৯ জন শিক্ষার্থী।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ফেনী জেলায় পাসের হার ৭২ দশমিক ৬২ শতাংশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৭১ দশমিক ৫০ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ, লক্ষ্মীপুরে ৬৩ দশমিক ৯১ শতাংশ, চাঁদপুরে ৬৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং নোয়াখালী জেলায় সর্বনিম্ন ৫৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

উপজেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৭৭ দশমিক ০৯ শতাংশ পাসের হার নিয়ে ফেনী জেলায় শীর্ষে রয়েছে ফেনী সদর উপজেলা। ৭৬ দশমিক ২৮ শতাংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছাগলনাইয়া এবং ৭১ দশমিক ৬০ শতাংশ পাসের হার নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে দাগনভূঞা। এ ছাড়া ফুলগাজী উপজেলায় ৭০ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং সোনাগাজীতে ৬৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে ৫৫ দশমিক ১৬ শতাংশ পাসের হার নিয়ে তালিকার সর্বনিম্ন স্থানে রয়েছে পরশুরাম উপজেলা।

জেলাজুড়ে বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে। এর মধ্যে হিছাছড়া হাইস্কুল, মমারিজপুর উচ্চবিদ্যালয়, হলি ক্রিসেন্ট স্কুল, ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ স্কুল শাখা এবং গার্লস ক্যাডেট কলেজ ক্যাম্পাস স্কুল অন্যতম।

শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মতে—শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা, শিক্ষকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং অভিভাবকদের সচেতনতার কারণেই ফেনী জেলা বোর্ডে শীর্ষস্থান অর্জন করতে পেরেছে।

শতভাগ পাস করা ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ এস এম ফয়সাল এশিয়া পোস্টকে বলেন, এটি পুরো ফেনী জেলার জন্য এক বিরাট অর্জন। নিয়মানুবর্তিতা ও একাগ্রতা বজায় রাখলে স্বল্প পাঠপরিক্রমাতেও চমৎকার সাফল্য অর্জন করা সম্ভব—এ ফল তারই প্রমাণ। শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে চেষ্টা চালিয়ে গেলে ভবিষ্যতেও জেলাজুড়ে এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখা সম্ভব হবে।

বিষয় :