১০ কোটি টাকা নেওয়ার বিষয়ে হাসনাতের জবাব

কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। কুমিল্লা–৪ আসনের (দেবীদ্বার) এই সংসদ সদস্য বলেছেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক যে টাকার কথা বলেছেন, সেটি উপজেলার জন্য বাজেট বরাদ্দ। উনি এমনভাবে বলেছেন মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি।
শনিবার (৩০ মে) রাতে হাসনাত আবদুল্লাহ এশিয়া পোস্টকে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, এই বরাদ্দ স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ, যেটা জেলা পরিষদের মাধ্যমে ব্যয় হয়েছে।
হাসনাত বলেন, দেবিদ্বার মোট ৪২টি কাজে পাঁচ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। যেটা এডিপি প্রকল্পের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদের রাজস্বের সাথে কোনো সম্পৃক্ততা নাই।
দেবীদ্বারের এই সংসদ সদস্য বলেন, প্রশাসক রাজস্ব খাত আর বিশেষ বরাদ্দ সম্পর্ক জ্ঞান থাকলে এই কথা বলতেন না। আর উনি এমনভাবে বলেছেন মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি। অথচ দেবিদ্বারের বিভিন্ন কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের রাজস্ব খাত থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ১৫ কোটি টাকা ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন।
শনিবার বিকেলে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।
মোস্তাক মিয়া বলেন, কুমিল্লা জেলা পরিষদের নিজস্ব রাজস্ব খাত থেকে আসিফ মাহমুদ মুরাদনগরে ১৫ কোটি টাকা ও হাসনাত আবদুল্লাহ দেবিদ্বারে ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন। এটি জেলা পরিষদের নিজস্ব অর্থ। যারা সমন্বয়ের রাজনীতির কথা বলতেন, তাদের কর্মকাণ্ডের মধ্যেই সমন্বয়ের অভাব ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তাদের চরিত্র এমনই ছিল।
