logo
Advertisement

বিল আসার আগে খুলে নেওয়া হয় সেই গ্রাহকের বৈদ্যুতিক মিটার

এশিয়া পোস্ট নিউজ
এশিয়া পোস্ট নিউজ,জামালপুর
বিল আসার আগে খুলে নেওয়া হয় সেই গ্রাহকের বৈদ্যুতিক মিটার
খুলে নেওয়া বৈদ্যুতিক মিটারের ফাঁকা স্থান ও গ্রাহকের নামে আসা বিল। ছবি কোলাজ: এশিয়া পোস্ট

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় এক ব্যক্তির নামে আসা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে। দাবি করা হচ্ছে–ওই ব্যক্তির ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ ও মিটার না থাকলেও তার নামে বিল আসে। এতে স্থানীয় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।

Advertisement

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘরটিতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সংযোগ ছিল। সংযোগটি শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকারের নামে। জুলাই মাসে মিটার খুলে নেয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। আগস্ট মাসে তার নামে বিল আসে ৬৯২ টাকা।

নিমাই চন্দ্র সরকারের বাড়ি মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায়। গত ২৫ আগস্ট বিদ্যুৎ বিলের কাগজ হাতে পান নিমাই চন্দ্র সরকার। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দেয়।

নিমাই চন্দ্র সরকার বলেন, আমি তো মিটারই চালাইলাম না, তাহলে কেমনে বিল আসল। মিটার গাছ পড়ে ভেঙে গেল। তারা মিটার নিয়ে গেল। তাহলে বিল কেন আসল। আমি বিদ্যুৎ খরচই করিনি।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের পরিদর্শক মোখলেছুর রহমান বলেন, গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলে বিল করা হয়েছে। তবে এটা ভুল হয়ে গেছে।

নিমাই সরকার জানান, তার বাড়িতে পাঁচটি বৈদ্যুতিক মিটারে আবসিক সংযোগ ছিল। সেখান থেকে একটি খুলে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছিল। সেটি বাণিজ্যিক সংযোগ হিসেবে বাড়ির পাশে মন্দিরে স্থাপন করার আবেদন করেন তিনি। তবে কর্তৃপক্ষ বাণিজ্যিক সংযোগের মিটারটি আবাসিকের খুলে নেওয়া স্থানেই প্রতিস্থাপন করে। জুলাই মাসে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে মিটারটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারীরা মিটারটি খুলে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, খালি স্থানটিতে আগে একটি আবাসিক মিটার ছিল। গ্রাহক সেই মিটারটি বাণিজ্যিকভাবে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। আগের যে আবাসিক ছিল, সেটার আগস্ট মাসের বিল এসেছে। তবুও আমরা তদন্ত করার জন্য টিম পাঠিয়েছি। যদি কোনো গাফিলতি বা ঘটনা সত্যি হয় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।