logo

টাঙ্গাইলে ১৩৫৬ মণ্ডপে দুর্গাপূজার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

টাঙ্গাইলে ১৩৫৬ মণ্ডপে দুর্গাপূজার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
টাঙ্গাইলে চলছে প্রতিমায় রংতুলির আঁচড়। ছবি: এশিয়া পোস্ট

শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে টাঙ্গাইলে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ত সময় পার করছেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। কোথাও প্রতিমায় চলছে রঙের শেষ আঁচড়, কোথাও মণ্ডপ সাজাতে ব্যস্ত আয়োজকেরা। পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোতে চলছে সাজসজ্জা ও নিরাপত্তার প্রস্তুতি।

টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় এবার এক হাজার ৩৫৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। সেজন্য দুর্গাপ্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পীরা। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ করতে শিল্পীরা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করছেন। এখন চলছে প্রতিমায় রংতুলির আঁচড়। শিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় ফুটে উঠছে দেবী দুর্গা, সরস্বতী, গণেশ ও কার্তিকের অবয়ব।

প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি মণ্ডপগুলোতে চলছে সাজসজ্জার কাজ। সব মিলিয়ে জেলার পূজামণ্ডপগুলোতে বিরাজ করছে শারদীয় আমেজ। পূজার সার্বিক নিরাপত্তার জন্য নেওয়া হচ্ছে বিশেষ পরিকল্পনা। প্রতিটি পূজামণ্ডপে পর্যাপ্তসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। পুলিশের পাশাপাশি আনসার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রতিমাশিল্পী সুমন বসাক বলেন, এখন প্রতিমায় রং করার কাজ চলছে। কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির কারণে প্রতিমা তৈরি করে এখন লাভ অনেকটা কমে গেছে। এ বছর তিনি পাঁচটি প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন। টাঙ্গাইল শহরের বড় কালীবাড়ি ও রেজিস্ট্রিপাড়া ছাড়াও সিরাজগঞ্জ, নোয়াখালী এবং ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন তিনি।

জেলা পূজা উদ্‌যাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক অমল ব্যানার্জি বলেন, প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। সব মিলিয়ে জেলার পূজামণ্ডপগুলোতে চলছে শারদীয় আমেজ। পূজামণ্ডপগুলোতে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে বলে আশা করছেন তিনি। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পূজা শেষ করতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোটের টাঙ্গাইল জেলা শাখার আহ্বায়ক তনয় বিশ্বাস বলেন, আগামী ১৫ অক্টোবর পঞ্চমী পূজার মধ্য দিয়ে সারা দেশে শুরু হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ও বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ উৎসব।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. আদিবুল ইসলাম বলেন, পূজার সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে পর্যাপ্তসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব ও আনসার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন।