Advertisement

তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কে ধস, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

এশিয়া পোস্ট নিউজ, রংপুর
তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কে ধস, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল
দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধস দেখা দিয়েছে। ছবি : এশিয়া পোস্ট

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কে ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে ছোট-বড় যানবাহন ও পথচারীরা। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

Advertisement

জানা যায়, রংপুর অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ দ্বিতীয় তিস্তা সেতু-কাকিনা সড়কটি বুড়িরহাট-মহিপুর হয়ে লালমনিরহাটের কাকিনা, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম ও তুষভান্ডার পেরিয়ে বুড়িমারী স্থলবন্দরে গিয়ে মিলেছে। প্রতিদিন চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করেন।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার লক্ষীটারী ইউনিয়নের মহিপুর এলাকায় দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর উত্তর প্রান্তে সড়কের অন্তত আটটি স্থানে ধস নেমেছে। কোথাও কোথাও সৃষ্টি হয়েছে গভীর গর্ত। এতে ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে যানবাহন। বিশেষ করে রাতের দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যাচ্ছে।

সেতু এলাকার বাসিন্দা আসাদুল মিয়া বলেন, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে সেতুর উত্তর পাশে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। দ্রুত সংস্কার না করলে যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

পথচারী মজিবুল হক বলেন, রাস্তাটির অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে গেছে। ছয়-সাত জায়গায় ধসে গিয়ে খোয়া উঠে পড়েছে এবং বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। আরেকটু বেশি বৃষ্টি হলেই সড়কের আরও বড় অংশ ভেঙে যেতে পারে।

লক্ষীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, এটি রংপুর ও লালমনিরহাট অঞ্চলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সড়ক। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে সড়কের নিচের অংশ ধসে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু না করলে পুরো সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মো. ওবায়দুর রহমান এশিয়া পোস্টকে বলেন, ধসের বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। ইতোমধ্যে চেয়ারম্যান ও উপসহকারী প্রকৌশলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে একটি ইস্টিমেট তৈরি করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

অনুমোদন পেলে টেন্ডার করে মেরামত করা হবে। একইসঙ্গে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ইটের টুকরো ও মাটি দিয়ে গর্ত ভরাটের কাজ চলমান রয়েছে।