logo

চাঁদার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ২ গ্রুপের সংঘর্ষ

চাঁদার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ২ গ্রুপের সংঘর্ষ

বরগুনার পাথরঘাটায় বিএফডিসি মাছের ঘাটের চাঁদার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে পাথরঘাটা পৌরশহরের লঞ্চঘাট এলাকার ব্রিজসংলগ্ন বাইপাস সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় স্থানীয়রা শামীম নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। আটক শামীম কালমেঘা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মাছেরখাল এলাকার মো. মজিবর মিয়ার ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য ঘাটে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাছ বেচাকেনা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ ঘাটে মাছ বিক্রি করা জেলে, আড়তদার, পাইকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণে চাঁদা আদায় করা হয়। ওই টাকার ভাগাভাগি নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। 

স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী ফোরকান জানান, দুপুরের দিকে চার থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেলে করে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এনামুল হক ইমু ও শামীমসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। এ ঘটনায় মো. কালু, সোহাগ, আবু সালেহ, শামীমসহ সাত থেকে আটজন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক ব্যবসায়ী বলেন, প্রতিদিন ঘাট থেকে চাঁদা আদায় করা হয়। সেই টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে।

সংঘর্ষের সময় স্থানীয়রা এনামুল হক ইমুর সঙ্গে থাকা শামীমকে আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। পরে খবর পেয়ে থানা পুলিশ এসে তাকে আটক করে নিয়ে যায়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এনামুল হক ইমু বলেন, বিএফডিসি বড় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে সেখানে মাদকের বিস্তার রয়েছে। আমি নিজ উদ্যোগে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছি। আমাকে হেয় করতে একটি পক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে। অভিযানের সময় একটি মোটরসাইকেল ও কয়েকটি মোবাইল আমার কাছে জব্দ আছে।

পাথরঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মংচেনলা জানান, এ ঘটনায় রাতে একটি মামলা হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।