
‘২০২১ সালের ওই দিনটার কথা মনে পড়লে এখনও বুকটা ফেটে যায়। আমার ছেলে নেয়ামত ভবন ভেঙে নদীতে পড়ার দৃশ্য দেখতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। কত জায়গায় খুঁজেছি, কত মানুষের কাছে গিয়েছি, কিন্তু ছেলের কোনো সন্ধান পাইনি। তার লাশটাও পেলাম না।’ সাইক্লোন শেল্টারের একটি অংশ নদীতে বিলীন হওয়ার সেই দৃশ্য দেখতে গিয়ে ছেলে নেয়ামত উল্লাহর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা স্মরণ করে কথাগুলো বলেন তার বাবা বারেক হাওলাদার।
২০২১ সালের ২৪ আগস্ট বিষখালী নদীর প্রবল স্রোতে ঝালকাঠির সদর উপজেলার পশ্চিম দেউরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টারের দোতলা ভবনের দুটি কক্ষ ও মসজিদের একটি অংশ ভেঙে নদীতে পড়ে। সেই দৃশ্য দেখতে ও ভিডিও করতে গিয়ে ভবনের সঙ্গে নদীতে পড়ে যান এসএসসি পরীক্ষার্থী নেয়ামত উল্লাহ। এরপর বহু খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান মেলেনি। উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি তার মরদেহও।
সন্তান হারানোর সেই শোক আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন নেয়ামতের মা-বাবা। ভাঙনকবলিত সাইক্লোন শেল্টারের কাছে এসে নদীর দিকে তাকিয়ে থাকেন তারা। যে ভবন ভেঙে পড়ার দৃশ্য দেখতে গিয়ে নেয়ামত আর ফিরে আসেনি, পাঁচ বছর পর সেই ভবনটির অবশিষ্ট অংশও এখন নদীগর্ভে বিলীনের ঝুঁকিতে।
বিষখালী নদীর ভয়াবহ ভাঙনে সাইক্লোন শেল্টারটির বড় একটি অংশ ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভবনটির নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে বেজমেন্টের একটি অংশও নদীতে চলে গেছে। একাংশ ভেঙে পড়ার পর ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম। অবশিষ্ট অংশও রয়েছে চরম ঝুঁকিতে; যেকোনো মুহূর্তে সেটিও ধসে নদীতে চলে যেতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস কিংবা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য প্রায় পৌনে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল স্থাপনাটি। অথচ দীর্ঘদিনের নদীভাঙনে মানুষের আশ্রয়ের সেই জায়গাটিই এখন নিজেই আশ্রয়হীন।
ভবন ভাঙার দৃশ্য দেখতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে যায় নেয়ামত
এই সাইক্লোন শেল্টারকে ঘিরে সবচেয়ে বেদনাদায়ক স্মৃতি ২০২১ সালের ২৪ আগস্টের ঘটনা। সেদিন বিষখালী নদীর প্রবল স্রোতে সাইক্লোন শেল্টারের দোতলা ভবনের দুটি কক্ষ ও মসজিদের একটি অংশ ভেঙে নদীতে পড়ে। ভবন ভেঙে পড়ার দৃশ্য দেখতে ও ভিডিও করতে গিয়ে ওই এলাকার বারেক হাওলাদারের ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী নেয়ামত উল্লাহ নামে এক স্কুলছাত্র ভবনের সঙ্গে নদীতে পড়ে যায়। এরপর আর তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তার মরদেহও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সন্তান হারানোর সেই শোক আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন নেয়ামত উল্লাহর মা-বাবা। ভাঙনকবলিত সেই সাইক্লোন শেল্টারের কাছে এসে নদীর দিকে তাকিয়ে থাকেন তিনি। চোখের সামনে যে স্থাপনা ভেঙে নিজের সন্তানকে কেড়ে নিয়েছে, আজ সেই স্থাপনাটির অবশিষ্ট অংশও বিলীন হওয়ার অপেক্ষায়।
নিখোঁজ নেয়ামত উল্লাহর বাবা বারেক হাওলাদার বলেন, ২০২১ সালের ওই দিনটার কথা মনে পড়লে এখনও বুকটা ফেটে যায়। আমার ছেলে নেয়ামত ভবন ভেঙে নদীতে পড়ার দৃশ্য দেখতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। কত জায়গায় খুঁজেছি, কত মানুষের কাছে গিয়েছি, কিন্তু ছেলের কোনো সন্ধান পাইনি। তার লাশটাও পেলাম না। একজন বাবার জন্য এর চেয়ে বড় কষ্ট আর কী হতে পারে? আমি এখনও বিশ্বাস করি, আমার ছেলে হয়তো কোনো না কোনোভাবে ফিরে আসবে—এই আশাতেই বেঁচে আছি।
তিনি বলেন, যে সাইক্লোন শেল্টারে মানুষ নিরাপদে থাকবে, সেই ভবনই যদি ভেঙে মানুষের জীবন কেড়ে নেয়, তাহলে এর দায় কার? আগে থেকেই যদি নদীর ভাঙন ঠেকানোর ব্যবস্থা করা হতো, তাহলে হয়তো আমার ছেলেকে হারাতে হতো না। এখন ভবনের বাকি অংশটুকুও ঝুঁকিতে। আমরা চাই, আর কোনো বাবা-মাকে যেন আমাদের মতো সন্তান হারানোর কষ্ট পেতে না হয়।
নেয়ামত উল্লাহর মা কুলসুম বেগম বলেন, আমার ছেলে সেদিন বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় কি জানত, আর কোনোদিন সে মায়ের কাছে ফিরে আসবে না? এখনও আমার চোখের সামনে ছেলের মুখটা ভাসে। প্রতিদিন মনে হয়, দরজা দিয়ে হয়তো আমার ছেলে ফিরে আসবে। কিন্তু পাঁচ বছর হয়ে গেল, সে আর ফিরল না। তার লাশটাও পেলাম না যে অন্তত কবর দিয়ে একটু শান্তি পাব।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, এই সাইক্লোন শেল্টার আমার ছেলেকে কেড়ে নিয়েছে। অথচ এখনো ভবনটির বাকি অংশ নদীর পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। আর যেন কোনো মায়ের বুক খালি না হয়। সরকার যেন দ্রুত নদীভাঙন বন্ধের ব্যবস্থা করে এবং এই ঝুঁকিপূর্ণ জায়গাটি নিরাপদ করে।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হক মাঝি বলেন, বিষখালী নদীর ভাঙন আমরা অনেক বছর ধরে দেখছি। কিন্তু এখন যেভাবে ভাঙছে, তাতে সামনে কী হবে তা নিয়ে আমরা আতঙ্কে আছি। চোখের সামনে সাইক্লোন শেল্টারের একটা অংশ নদীতে চলে গেছে। মানুষের আশ্রয়ের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করে বানানো ভবন আজ নিজেই আশ্রয়হীন।

তিনি আরও বলেন, ভাঙন যখন শুরু হয়েছিল, তখন যদি ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে ভবনটা হয়তো বাঁচানো যেত। এখন শুধু সাইক্লোন শেল্টার নয়, নদীর পাড়ের মানুষের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিও ঝুঁকিতে। আমরা চাই, কাগজে-কলমে প্রকল্প না রেখে দ্রুত নদীর পাড় রক্ষায় কাজ শুরু করা হোক। নদীভাঙন বন্ধ করতে না পারলে সামনে আরও অনেক পরিবার ঘরবাড়ি হারাবে।
পাঁচ বছরেই নদীর ভাঙনের মুখে সাইক্লোন শেল্টার
ইমারজেন্সি সাইক্লোন রিকভারি অ্যান্ড রেস্টোরেশন প্রজেক্টের আওতায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে পশ্চিম দেউরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টারটি নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পে ভবনটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ কোটি ১০ লাখ টাকা। শেষ পর্যন্ত ব্যয় হয় ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।
কিন্তু নির্মাণের মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই ভবনটি বিষখালী নদীর ভাঙনের মুখে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙনপ্রবণ নদীর মাত্র প্রায় ১০০ গজের মধ্যে সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণের সময় তাঁরা আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আশ্বস্ত করা হয়েছিল, পানি উন্নয়ন বোর্ড নদী শাসনের ব্যবস্থা করবে। কিন্তু কার্যকর নদীভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্থাপনাটিই নদীর গ্রাসে পড়েছে। ২০১৯ সালের ঘূর্ণিঝড় ফণীর সময়ও ভবনটির ঝুঁকির বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পানির প্রবল চাপ ও নদীভাঙনে বিদ্যালয়ের একটি পানির ট্যাংক ও নলকূপ নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এরপর নদী ক্রমেই ভবনের দিকে এগিয়ে আসে। ভবনের নিচের মাটি সরে যেতে থাকে। একপর্যায়ে বেজমেন্টের নিচের অংশ নদীতে চলে গেলে ভবনের কাঠামো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।
মানুষের আশ্রয়কেন্দ্রই আজ নিজেই আশ্রয়হীন
স্থানীয় ষাটোর্ধ্ব কাদের মিয়া বলেন, এই সাইক্লোন শেল্টার বানানো হয়েছিল মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য। ঝড়-বন্যা হলে আমরা এখানে এসে আশ্রয় নেব—এই ভরসায় ছিলাম। এখন সেই আশ্রয়কেন্দ্রই নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে বাঁচার জন্য জায়গা খুঁজছে। একটা ভবন নদীতে চলে গেছে, আরেকটু ভাঙলে বাকি অংশও থাকবে না। দুর্যোগের সময় আমরা কোথায় যাব, সেই চিন্তায় আছি।
তিনি বলেন, যখন ভবনটা করা হয়েছিল তখনই অনেকে বলেছিল, নদীর এত কাছে ভবন করলে একদিন নদীতে চলে যাবে। তখন যদি নদীর পাড় রক্ষা করা হতো, তাহলে আজ এত টাকা খরচ করে বানানো ভবনটা এভাবে নষ্ট হতো না।
স্থানীয় কৃষক কবির হাওলাদার বলেন, আমরা কৃষিকাজ করে সংসার চালাই। বিষখালী নদী প্রতিবছর একটু একটু করে জমি খেয়ে ফেলছে। আগে যেখানে মাঠ ছিল, সেখানে এখন নদীর পানি। সাইক্লোন শেল্টারটাও বাঁচানো গেল না। এভাবে ভাঙতে থাকলে আমাদের ফসলি জমি থাকবে না, ঘরবাড়িও থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন যখন শুরু হয় তখন যদি পাড়ে ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে এতদূর আসত না। এখন ভবনের পাশে আবার যেসব জায়গা আছে, সেগুলোও ঝুঁকিতে। দ্রুত জিওব্যাগ ফেলা ও স্থায়ীভাবে নদীর পাড় বাঁধাই করা দরকার। শুধু আশ্বাস দিলে হবে না, কাজ করতে হবে।
নদীর পাড়ের বাসিন্দা রোকেয়া বেগম বলেন, নদীর দিকে তাকালে এখন ভয় লাগে। কখন যে পাড় ভেঙে ঘরবাড়ি নদীতে চলে যায়, সেই চিন্তায় থাকতে হয়। রাতে ঘুমাতে গেলেও মনে হয়, সকালে উঠে হয়তো দেখব ঘরের সামনে আর মাটি নেই।
তিনি বলেন, ঝড় হলে মানুষ যে সাইক্লোন শেল্টারে গিয়ে নিরাপদ থাকার কথা, সেই শেল্টারটাই যদি নদীর কাছে নিরাপদ না থাকে তাহলে আমরা কোথায় যাব? আমাদের সন্তান, গরু-ছাগল নিয়ে কোথায় আশ্রয় নেব? সরকার যদি এখনই নদীর পাড় রক্ষা না করে, তাহলে সামনে আরও অনেক পরিবার ঘর হারাবে।
নদীতে বসতবাড়ি বিলীন হওয়া নাজেরা বানু বলেন, নদী আমার ঘরবাড়ি নিয়ে গেছে। একদিন যে জায়গায় আমার ঘর ছিল, এখন সেখানে নদীর পানি। নিজের চোখে বসতভিটা নদীতে যেতে দেখার কষ্ট যে কী, সেটা ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবে না।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, আমরা অনেকবার বলেছি নদীর পাড়টা রক্ষা করেন। তখন ব্যবস্থা হলে হয়তো আমার ঘরটা বাঁচত। এখন অন্যদের ঘরবাড়িও ঝুঁকিতে। আমাদের মতো আর কোনো পরিবার যেন সব হারিয়ে পথে না বসে, সেটাই চাই।
কোটি টাকার স্থাপনা, কিন্তু নদী থেকে রক্ষায় ব্যবস্থা কোথায়?
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি স্থাপনা নির্মাণে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা হলেও স্থাপনাটি যে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে, তা নির্মাণের সময় যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। নদীশাসনের প্রতিশ্রুতিও বাস্তবে দীর্ঘদিন কার্যকর হয়নি। প্রশ্ন উঠেছে—ভবন নির্মাণের আগে নদীর গতিপথ, ভাঙনের প্রবণতা ও স্থাপনার নিরাপত্তা কতটা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল? নির্মাণের মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে ভবনটি ভাঙনের মুখে পড়ার কারণ কী? আর যখন ভাঙনের প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিয়েছিল, তখন কেন স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি? এলাকাবাসীর দাবি, শুধু এই ভবনটি নয়, নদীতীরের পুরো এলাকার ভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। পাশাপাশি সরকারি অর্থে নির্মিত স্থাপনাটি এত অল্প সময়ে কেন নদীগর্ভে গেল, সেটিও তদন্ত করে দেখার দাবি তাদের।
একসময় ঘূর্ণিঝড়ের সংকেত পেলেই এই সাইক্লোন শেল্টারের দিকে ছুটে আসত মানুষ। শিশু, নারী, বৃদ্ধ এবং গবাদিপশু নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের শেষ ভরসা ছিল ভবনটি। অথচ সেই ভবনই এখন বিষখালী নদীর পেটে চলে যাওয়ার অপেক্ষায়। প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আশ্রয়কেন্দ্রের এমন পরিণতি শুধু একটি ভবন হারানোর ঘটনা নয়; এটি নদীভাঙনের কাছে একটি জনপদের অসহায়ত্বের প্রতিচ্ছবি।
স্থানীয়দের দাবি, সাইক্লোন শেল্টারের অবশিষ্ট অংশ দ্রুত নিরাপদে অপসারণ, নদীভাঙন প্রতিরোধে জরুরি ব্যবস্থা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং নতুন করে একটি নিরাপদ সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ করতে হবে। কারণ দুর্যোগ এলে মানুষ যে আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে জীবন বাঁচাবে, সেই আশ্রয়কেন্দ্রই যদি নদীর ভাঙনে আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে—তাহলে বিপদের দিনে এই নদীতীরের মানুষ কোথায় দাঁড়াবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম নিলয় পাশা বলেন, দেউরি সাইক্লোন শেল্টারটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। জেলায় প্রায় ২২ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণের জন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাবিত রয়েছে। ওই প্রকল্পের মধ্যে সাইক্লোন শেল্টার এলাকাটিও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ওই অংশে কাজ করার সময় ঝুঁকিপূর্ণ সাইক্লোন শেল্টারটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অনুরোধ জানানো হবে।

