বন বিভাগের গাছ কেটে জেলে গেলেন ইউপি সদস্যসহ পাঁচজন

বরগুনার তালতলী উপজেলায় বন বিভাগের গাছ কেটে স্থাপনা ও রাস্তা নির্মাণের ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যসহ পাঁচজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ইফতি হাসান ইমরান এই আদেশ দেন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, তালতলী উপজেলার সকিনা বিটের নিদ্রার চর এলাকায় বন বিভাগের জমির গাছ ও মাটি কেটে স্থানীয় ইউপি সদস্য শহীদ আকন, মাসুদ খান, সবুজ ফকির, কুদ্দুস মোল্লা ও মো. নেকিয়ার হোসেন স্থাপনা ও রাস্তা নির্মাণ করেন।
ওই ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল বন বিভাগের তালতলী সকিনা বিট কর্মকর্তা মো. রাহিমুল ইসলাম জুমেল ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তালতলী থানায় বন আইনে মামলা করেন।
ওই মামলার আসামি সোনাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শহীদ আকন, মাসুদ খান, সবুজ ফকির, কুদ্দুস মোল্লা ও মো. নেকিয়ার হোসেন আদালতে জামিন আবেদন করেন। আদালতের বিচারক জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালতের পেশকার মো. আবু বকর বলেন, বিচারক বন বিভাগের মামলায় ইউপি সদস্যসহ পাঁচজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
তালতলী বন বিভাগের সকিনা বিট কর্মকর্তা মো. রাহিমুল ইসলাম জুমেল বলেন, আইনের তোয়াক্কা না করে প্রভাব খাটিয়ে ইউপি সদস্য শহীদ আকনসহ কয়েকজন বন বিভাগের গাছ ও মাটি কেটে স্থাপনা ও রাস্তা নির্মাণ করেছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছি। ওই মামলায় আদালতের বিচারক তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।





