logo

ঝালকাঠিতে জামায়াত সমর্থকদের বাড়িঘর ভাঙচুর, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

ঝালকাঠিতে জামায়াত সমর্থকদের বাড়িঘর ভাঙচুর, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের চারটি বাড়ি, দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ইউনিয়ন জামায়াত অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে দুই নারী আহত হয়েছেন।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জামায়াত কর্মী জহিরুল ইসলাম দুলাল বাদী হয়ে পাটিখালঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. মিজানুর রহমান কালামকে প্রধান আসামি করে ১৯ জনের বিরুদ্ধে কাঁঠালিয়া থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ, স্থানীয় এবং মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, পাটিখালঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কালামের নেতৃত্বে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের একদল নেতাকর্মী একই গ্রামের জামায়াতের সমর্থক সাবেক অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ ও তার ভাই মরিচবুনিয়া গ্রামের কামাল জমাদ্দারের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। হামলাকারীরা হারুন অর রশিদের গবাদিপশুর খাদ্য রাখার ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। হামলায় কামাল জমাদ্দারের স্ত্রী রানু বেগম ও মেয়ে সাবিনা আহত হন। 

এ ছাড়া একই ইউনিয়নের মোস্তফা মাস্টার ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. রিপনের বাড়িতেও হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। পাটিখালঘাটা বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী দুলালের ফার্মেসি এবং আব্দুর রবের চায়ের দোকানেও হামলার অভিযোগ রয়েছে। হামলাকারীরা ইউনিয়ন জামায়াত অফিসে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পর পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. ফুয়াদ জমাদ্দার ও ছাত্রদল নেতা জনি হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অভিযোগ, নির্বাচনে জামায়াতকে ভোট দেওয়ায় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। হামলাকারীরা দোকান, ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র ভাঙচুরের পাশাপাশি গবাদিপশুর খোঁয়াড়ে আগুন দেয় এবং হত্যার হুমকি দেয়।

এ বিষয়ে কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের রায়হান বলেন, পাটিখালঘাটার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।