logo

সিলেট শহরে আট ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণ

সিলেট শহরে আট ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণ
সিলেট সিটি করপোরেশনে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ। ছবি: এশিয়া পোস্ট

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী পশু কোরবানির পর আট ঘণ্টার মধ্যে সিলেট নগরকে বর্জ্যমুক্ত করেছে সিটি করপোরেশন।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে নগরীর সব ওয়ার্ডের বর্জ্য অপসারণ করা হয়।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আট ঘণ্টার মধ্যে নগর পরিষ্কারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলেন। বৃহস্পতিবার সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার নগরের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

এ বিষয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশনকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের নির্দেশনা দিয়েছিলেন। ঢাকা বা চট্টগ্রামের তুলনায় সিলেটে কোরবানিদাতার সংখ্যা কিছুটা কম হওয়ায়, আমরা চ্যালেঞ্জ নিয়ে আট ঘণ্টার মধ্যেই সিলেটবাসীকে পরিচ্ছন্ন নগর উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। পরিচ্ছন্নকর্মী ও নগরবাসীর যৌথ প্রয়াসে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।

বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শতভাগ সফল করতে ঈদের আগে সিসিকের পক্ষ থেকে প্রতিটি ওয়ার্ডে সচেতনতামূলক মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছিল। কোরবানিদাতাদের তালিকা তৈরি করে সিসিকের নিজস্ব উদ্যোগে প্রায় ৩০ হাজার পরিবেশবান্ধব পলিব্যাগ ও পর্যাপ্ত ব্লিচিং পাউডার সরবরাহ করা হয়। নাগরিকদের তাৎক্ষণিক যোগাযোগের জন্য চালু ছিল বিশেষ হটলাইন নম্বর।

এবার নগরীতে অনুমোদিত একটি স্থায়ী ও পাঁচাট অস্থায়ী পশুর হাট ছাড়াও বেশ কিছু স্থানে পশু কেনাবেচা হয়েছিল। বুধবার রাত থেকে সিসিকের পরিচ্ছন্নকর্মীরা ওই সব হাটের বর্জ্য পরিষ্কারের কাজ শুরু করে দেন। বৃহস্পতিবার মূল বর্জ্য অপসারণ কাজে সহস্রাধিক শ্রমিক পরিশ্রম করেছেন। বর্জ্য পরিবহনে সিসিকের নিজস্ব ৬০টি ট্রাকের পাশাপাশি ভাড়ায়চালিত আরও ৫৫টি ভারী ট্রাক ও ডাম্পার ব্যবহার করা হয়।

কাজ শেষে সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লেফটেন্যন্ট কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন বলেন, নগরবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা ও আমাদের কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে রেকর্ড সময়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পেরেছি। দ্রুত বর্জ্য অপসারণের পর জীবাণু ও দুর্গন্ধ রোধে পুরো নগরীতে ব্লিচিং পাউডার ও তরল জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়েছে।