logo
Advertisement

হোলি আর্টিজানে হামলায় নিহত রবিউল করিমের দশম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

এশিয়া পোস্ট নিউজ
এশিয়া পোস্ট নিউজমানিকগঞ্জ
হোলি আর্টিজানে হামলায় নিহত রবিউল করিমের দশম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত
রবিউল করিমের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন। বুধবার (১ জুলাই) সকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কাটিগ্রামে। ছবি: এশিয়া পোস্ট

ঢাকার গুলশানে হোলি আর্টিজান বেকারিতে হামলায় নিহত সহকারী পুলিশ কমিশনার রবিউল করিমের দশম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) সকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কাটিগ্রামে রবিউল করিমের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এর আগে, রবিউল করিম প্রতিষ্ঠিত নজরুল বিদ্যাসিঁড়ি স্কুলের সামনে থেকে একটি শোক র‍্যালি বের হয়ে কাটিগ্রাম কবরস্থানে গিয়ে শেষ হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত ব্যক্তিরা রবিউল করিম প্রতিষ্ঠিত ব্লুমস বিশেষায়িত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে স্মরণসভায় অংশ নেন।

স্মরণসভা সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম। সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি জি. আর. শওকত আলী।

বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাসুম, জেলা ড্যাবের সভাপতি জিয়াউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক বদরুল আলম, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি আব্দুল মোমিন, ব্লুমস বিশেষায়িত বিদ্যালয়ের সদস্যসচিব ও শহীদ রবিউল করিমের ছোট ভাই শামসুজ্জামান শামস ও রবিউল করিমের সহধর্মিণী উম্মে সালমা।

এ সময় মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা এবং তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সাফল্য কামনা করা হয়।

২০১৬ সালের ১ জুলাই সন্ধ্যায় ইফতারের পর অস্ত্র হাতে কয়েকজন তরুণ হোলি আর্টিজান বেকারিতে ঢুকে দেশি-বিদেশি গ্রাহকদের জিম্মি করে ফেলে। জিম্মিদের উদ্ধারে গিয়ে বোমা হামলায় গুরুতর আহত হন ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সহকারী কমিশনার রবিউল করিম এবং বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন খান। পরে তারা মারা যান।

নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান শেষে পরদিন হোলি আর্টিজানের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় ২০ জিম্মির লাশ। তাদের মধ্যে ৯ জন ইতালীয়, ৭ জন জাপানি, ১ জন ভারতীয় এবং ৩ জন বাংলাদেশি। পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ ওই হামলায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ২২।