logo

ওসমান হাদি হত্যার পেছনে আরও কেউ থাকতে পারে: শিবির সেক্রেটারি

ওসমান হাদি হত্যার পেছনে আরও কেউ থাকতে পারে: শিবির সেক্রেটারি

ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিবগা বলেছেন, শরিফ ওসমান হাদির যারা হত্যাকারী ছিল তাদের খুঁজে বের করা সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এ ছাড়া কারা তাদেরকে সেফ রেখেছে এটা জানাও আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটা শুধু একটি হত্যাকাণ্ড না, আমরা মনে করি যে এর পেছনে আরও কেউ থাকতে পারে। 

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুর মেডিকেল কলেজের পিন্নু ছাত্রাবাসে শহীদ ওসমান হাদি রিডিং রুমের উদ্বোধন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

সিবগাতুল্লাহ সিবগা বলেন, ওসমান হাদিকে হত্যা নিয়ে নানা মানুষ নানাভাবে চিন্তা করে। কিন্তু আমরা মনে করি সে যেই হোক না কেন শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীরা কখনও লুকিয়ে থাকতে পারবে না, জনগণের সামনে তারা উন্মোচিত হবে। শহীদ হাদি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী কণ্ঠস্বর ছিলেন। অনেক মানুষের মনের কথা বলে দিতে পারতেন। যার ফলে তার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ছিল বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের কাছে। তাকে গুলি করে শহীদ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, তারা ভেবেছে হয়তো ওসমান হাদিকে হত্যা করে বাংলাদেশ থেকে আধিপত্যবাদবিরোধী শক্তিকে মিটিয়ে দেবে। কিন্তু আমাদের কাছে মনে হয়েছে শহীদ ওসমান হাদি আরও শক্তিশালী হয়ে বাংলাদেশের তরুণদের কাছে ফিরে এসেছে। এই শরীফ ওসমান হাদির চেতনা বাংলাদেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে প্রতিটি শিক্ষার্থীর অন্তরে গিয়ে গেঁথে গিয়েছে।

নির্বাচন নিয়ে সিবগাতুল্লাহ সিবগা বলেন, রংপুরসহ উত্তরবঙ্গ, উত্তরবঙ্গের মানুষজন যেদিকে যায়, বাংলাদেশের মানুষ অনেকটা সেদিকে ধাবিত হয়। জুলাই আন্দোলনে আমরা দেখেছি, রংপুরের কৃতি সন্তান আবু সাঈদ যখন রাস্তায় গুলি খেয়ে শহীদ হয়েছিল তখন বাংলাদেশের জনগণ বসে থাকেনি। তারা কিন্তু রাস্তায় নেমে এসেছিল এবং আমাদের বিজয় নিশ্চিত হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় আমরা দেখছি, রংপুরের তারুণ্যের যে ভোট, তারুণ্য আসলে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে, পরিবর্তনের পক্ষে। 

তিনি আরও বলেন, যদি কেউ ফ্যাসিবাদী রাজনীতি করার চিন্তাভাবনা করে থাকেন, তাদের চিন্তাভাবনা নিয়েও তারুণ্য কথা বলে। যারা পরিবর্তন চায়, তাদের ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। এই নির্বাচনে উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করে সারাদেশে একটি অভূতপূর্ব সাড়া পাব বলে আমরা মনে করছি।