কুষ্টিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ১৭ বছর বয়সি এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে নদীর ধারে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত কিশোরকে (১৪) গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
রোববার (১৯ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার রাত ৯টার দিকে দৌলতপুরের ধর্মদাহ এলাকার রাফিউলের ছেলে মূর্ধ ওই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে মাথাভাঙা নদীর ধারে নিয়ে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে কিশোরীর নানা আলম শেখ মাছ ধরতে নদীর ধারে গেলে ঘটনাটি দেখে ফেলেন। এ সময় অভিযুক্ত মূর্ধ তাকে ধাক্কা দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এই ঘটনার জেরে গভীর রাতে মূর্ধ তার চাচাতো ভাই সিয়ামকে সঙ্গে নিয়ে উল্টো নানা আলম শেখকে মারধর করতে আসে।
খবর পেয়ে ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় পুলিশ। বিশেষ অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত মূর্ধকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ দুপুরে পুলিশ ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে।
ভুক্তভোগীর মা ক্ষোভ ও বিচার দাবি করে গণমাধ্যমকে বলেন, আমার মেয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ও তো নিজের ভালো-মন্দ বোঝে না। আমি এই জঘন্য অপরাধের সঠিক বিচার চাই।
অন্যদিকে কিশোরীর নানা আলম শেখ বলেন, আমি ঘটনা দেখে ফেলার কারণে ওরা উল্টো আমাকে মারতে এসেছিল। আমরা এই অন্যায়ের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ইকবাল হোসেন জানান, দুপুর ২টার দিকে ওই কিশোরীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা চলছে।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফয়সাল মাহমুদ এশিয়া পোস্টকে বলেন, ধর্ষণের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ইতোমধ্যে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকিদের বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
.png)

