মাদারীপুরে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ

মাদারীপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দাদা-নাতির বিরুদ্ধে। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সন্ধ্যায় অসুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত করেন ওই কিশোরীর মা। এদিকে ওই কিশোরীকে সোমবার বিকেলে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, প্রায় দুই মাস আগে জেলার কালকিনি উপজেলার পশ্চিম আলিপুর এলাকার মিলন সরদার ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। মেয়েটি কিশোরী হওয়ায় তার পরিবার প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে। এরপর বিভিন্নভাবে যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে জানা গেছে।
পরবর্তীতে গত ৪ মার্চ বিয়ের প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে মিলন সরদার কিশোরীকে কালকিনি উপজেলার আলীনগরের একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে কিশোরীকে মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরের একটি খানবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মিলন সরদার ও তার নানা নওয়াব আলী সরদার মিলে কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
পরবর্তীতে স্বজনরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মীর রায়হান জানান, ধর্ষণের অভিযোগের প্রেক্ষিতে কিশোরীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।