মুন্সীগঞ্জে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ‘ইস্টার সানডে’ উদ্যাপন

ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশ ও আনন্দ আয়োজনের মাধ্যমে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার শুলপুরে পালিত হয়েছে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব পবিত্র ইস্টার সানডে। ইস্টার সানডে উপলক্ষে উপাসনালয়সহ বাসাবাড়ি সাজিয়েছেন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা।
জেলার একমাত্র গির্জা সিরাজদিখানের কেয়াইন ইউনিয়নের শুলপুর গ্রামে অবস্থিত ‘সাধু যোশেফ গির্জায়’ রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টায় সমবেত প্রার্থনায় কামনা করা হয়েছে বিশ্বকল্যাণ। প্রার্থনা পরিচালনা করেন ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ক্ষদ্র পুষ্ম সেমিনারির গির্জার ফাদার জেভিয়ার পিউরিফিকেশন।
সাধু যোশেফ গির্জায় ফাদার কমল কুড়াইয়া বলেন, ৪৯ দিনের রোজা পালন শেষে খ্রিস্টানদের এই নির্মল আনন্দ ও শান্তির দিনটি আসে। গুড ফ্রাইডেতে বিপথগামী ইহুদিরা যিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করেছিল। মৃত্যুর তৃতীয় দিবস অর্থাৎ রোববার তিনি মৃত্যু থেকে জেগে উঠেছিলেন। মৃত্যুকে জয় করে যিশু সকল ক্লান্তি দূর করার জন্য আবারও মানুষের মাঝে ফিরে আসেন। এ দিনটিকেই আমরা ইস্টার সানডে হিসেবে পালন করি।
প্রার্থনার পাশাপাশি চলে ধর্মীয় সংগীত পরিবেশনা, প্রসাদ বিতরণ ও আলোচনা সভা। আলোচনা সভায় পবিত্র স্টার সানডের গুরত্ব ও মানবজীবনে তার প্রয়োগ সম্পর্কে গুরগম্ভীর দিক নির্দেশনামূলক আলোচনা করা হয়। খ্রিস্টান ধর্মের আদি পিতা যিশু খিস্টের এ ধরায় দ্বিতীয়বার আগমনের এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে নানা আয়োজনে দিনটিকে উদযাপন করেছে সিরাজদিখানের শুলপুরের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজন।
কেয়াইন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য নয়ন রোজারিও বলেন, যিশু খ্রিস্ট তিন দিন মৃত থাকার পর বছরের এই দিনে পুনরায় জীবন ফিরে পান। সেই থেকে আমরা খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারীরা দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করে থাকি।