নৈশপ্রহরীকে আটকে রেখে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৬

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার একতারপুর বাজারে নৈশপ্রহরী ও ব্যবসায়ীদের হাত-পা বেঁধে তিনটি স্বর্ণের দোকানসহ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে ডাকাতির ঘটনায় রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে খোকসা থানার পুলিশ একতারপুরের বিহারিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
শনিবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে এশিয়া পোস্টকে খোকসা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোশারফ হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন—রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বহলাডাঙ্গা গ্রামের রাজিমউদ্দিন শেখের ছেলে শামীম শেখ (১৯), লুৎফর সর্দারের ছেলে শাওন সর্দার (২১), মুকুল আলী মণ্ডলের ছেলে আনিস মণ্ডল (২৯); নোটাভাঙ্গা গ্রামের হান্নান খানের ছেলে সাগর খান (১৯), জিল্লু রহমানের ছেলে সোহেল রানা এবং পিরালিপাড়া গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে সজিব মণ্ডল।
পুলিশ জানায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে একতারপুর বাজারে ঘটে যাওয়া ডাকাতির ঘটনায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ডাকাতির সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
খোকসা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোশারফ হোসেন বলেন, ডাকাতির মামলায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে শনিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল একতারপুর বাজারে হানা দেয়। তারা প্রথমে বাজারের নৈশপ্রহরী ও দুজন ব্যবসায়ীকে ধরে গামছা দিয়ে হাত বেঁধে একটি চায়ের দোকানে আটকে রাখে। এরপর দোকানের তালা ও লকার ভেঙে মালামাল ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়।
তবে ঘটনার পর খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা জাকির হোসেন বাজারে ডাকাতি নয়, বরং তিনটি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছিলেন।


