Advertisement

মাদারীপুরে থানা থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

এশিয়া পোস্ট নিউজ, মাদারীপুর
মাদারীপুরে থানা থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ছবি: এশিয়া পোস্ট

মাদারীপুরে দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের পর তাদের থানা থেকে ছিনিয়ে নেওয়র চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আসামিদের স্বজন ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে। সোমবার (৮ জুন) রাতে মাদারীপুর সদর মডেল থানায় এ ঘটনা ঘটে।

Advertisement

জানা গেছে, আসামিদের স্বজন ও সমর্থকদের একটি অংশ থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের চেষ্টা চালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ সময় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার রাতে শহরের পুরাতন বিসিক শিল্পনগরী এলাকা থেকে শহরের বাদামতলা এলাকার বাসিন্দা সবুজ ও নতুন মাদারীপুর এলাকার আরিফ চৌকিদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ দাবি করেছে, সবুজ মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। আরিফ চৌকিদারের বিরুদ্ধেও আইনগত অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি আরিফ চৌকিদারের নামে থাকা ওয়ারেন্ট দেখতে চান। এ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

পরে পুলিশ গ্রেপ্তার আসামিদের থানায় নেওয়ার জন্য রওনা দিলে কয়েকজন যুবক পুলিশের পিকআপ ভ্যানে উঠে থানার দিকে আসেন। পরে সদর মডেল থানার সামনে আসামিদের স্বজন ও সমর্থকদের একটি অংশ জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং সড়ক অবরোধের চেষ্টা চালান বলে অভিযোগ।

পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আরও পাঁচজনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন শান্ত ঢালী, সালমান ঢালী, আবির ঢালী, আজিম ঢালী ও সাহেব বেপারী। তাদের সবার বাড়ি নতুন মাদারীপুর এলাকায়।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিয়া রফিক ভাবনা বলেন, নিয়মিত অভিযানে আরিফ ও সবুজ নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।