ছিনতাই রোধে মিঠাপুকুরে থানা ও ইউএনও অফিস ঘেরাও

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় ছিনতাই রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ চেয়ে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে রংপুরের মিঠাপুকুরে উপজেলা পরিষদ ও থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন তারা।
বিক্ষোভকারীরা জানান, গত এক মাসে উপজেলার বিভিন্ন সড়কে চালকদের ওপর হামলা চালিয়ে একাধিক রিকশা-ভ্যান ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সবশেষ ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাতে উপজেলা সদরের কৃষ্ণপুর রাস্তায়। চার থেকে পাঁচজন তরুণ খবির উদ্দীন নামের এক চালককে কুপিয়ে তার ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এক মাস আগে তিনি ইজিবাইকটি কিনেছিলেন।
বিক্ষোভকারীদের পক্ষে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মাসুম বিল্লাহ ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের পক্ষে সাঈদি বক্তব্য দেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ ও উপপুলিশ পরিদর্শক নুর আলম বক্তব্য দেন। তারা সম্মিলিতভাবে অপরাধ দমন ও গ্রামীণ সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিক্ষোভের সময় বিকেল ৪টার দিকে একটি ইজিবাইক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। জায়গীরহাট এলাকা থেকে শঠিবাড়ী যাওয়ার পথে ইজিবাইক মালিক মোজাহারুল ইসলামকে অচেতন করে ঘটনাটি ঘটে। টহল পুলিশ তাকে শঠিবাড়ী ওভারব্রিজের নিচ থেকে উদ্ধার করে মিঠাপুকুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
মিরপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এরশাদ জানান, ছিনতাই নিয়ন্ত্রণে আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গতকালই একটি ক্লুলেস হত্যার ঘটনার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা তো ইচ্ছে করলেই কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারি না। পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ প্রয়োজন হয়। ছিনতাই নিয়ন্ত্রণে আমাদের টহল ও বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ বলেন, আমরা গ্রামপুলিশকে সক্রিয় করেছি। পুরো উপজেলাকে নজরদারির আওতায় আনার জন্য কাজ করছি। পুলিশ তাদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। প্রশাসনের ম্যান পাওয়ারকে সর্বোচ্চ ব্যবহার করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
.png)






