logo
Advertisement

কোনো খরচ ছাড়াই বাংলাদেশিদের লন্ডনে পড়ার সুযোগ

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
কোনো খরচ ছাড়াই বাংলাদেশিদের লন্ডনে পড়ার সুযোগ
এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি করা প্রতীকী ছবি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদীয়মান নেতাদের যুক্তরাজ্যে বিনামূল্যে এক বছরের মাস্টার্স করার সুযোগ দেয় চেভেনিং বৃত্তি। নেতৃত্ব, প্রভাব এবং স্থানীয়, জাতীয় বা বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবিলায় অঙ্গীকার রয়েছে এমন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

চেভেনিং বৃত্তির মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে পড়াশোনার পাশাপাশি পেশাগত যোগাযোগের নেটওয়ার্ক তৈরি এবং একাডেমিক দক্ষতা বিকাশেরও সুযোগ রয়েছে।

যোগ্যতা যাচাই

আবেদন করার আগে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের চেভেনিং বৃত্তির যোগ্যতা যাচাই করতে হবে। এজন্য অফিসিয়াল আবেদন পোর্টালে থাকা যোগ্যতা-সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। চেভেনিংয়ের অফিসিয়াল আবেদন পোর্টালে যেতে এখানে ক্লিক করুন

আবেদনের শর্ত

আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট যোগ্যতার শর্তগুলো পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে-

  • চেভেনিংয়ের জন্য যোগ্য কোনো দেশ বা অঞ্চলের নাগরিক হতে হবে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অফিসিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স যোগ্য দেশে বসবাস করতে হবে।
  • বৃত্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অন্তত দুই বছরের জন্য বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার অঙ্গীকার থাকতে হবে।
  • স্নাতক ডিগ্রি শেষ করার পর কমপক্ষে দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, যা ২ হাজার ৮০০ ঘণ্টার সমতুল্য।
  • যুক্তরাজ্যে মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য যোগ্য এমন একটি স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।
  • আবেদন শেষ হওয়ার তারিখের অন্তত দুই বছর আগে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন হতে হবে।
  • যুক্তরাজ্যের তিনটি ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ্য কোর্সে আবেদন করতে হবে।
  • নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অন্তত একটি কোর্সে নিঃশর্ত ভর্তির প্রস্তাব পেতে হবে।

যেভাবে আবেদন

বাংলাদেশি আবেদনকারীদের চেভেনিংয়ের আবেদন ব্যবস্থার মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ-সংক্রান্ত চেভেনিংয়ের পেজের নির্দেশনাও অনুসরণ করতে হবে।

প্রথমে যোগ্যতা-সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে নির্ধারিত সময়সীমার আগে বৃত্তির আবেদন সম্পন্ন ও জমা দিতে হবে। পাশাপাশি উপযুক্ত যুক্তরাজ্যভিত্তিক মাস্টার্স প্রোগ্রাম খুঁজে নিয়ে যোগ্য তিনটি কোর্সে আবেদন করতে হবে।

সাক্ষাৎকারের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হলে আবেদনকারীদের প্রয়োজনীয় সহায়ক নথি জমা দিতে হবে। এসব নথির মধ্যে ছবি-সংবলিত পরিচয়পত্র, স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষাগত সনদ বা ডিপ্লোমা এবং রেফারেন্স লেটার রয়েছে। সাক্ষাৎকারের অন্তত সাত কর্মদিবস আগে এসব নথি আপলোড করতে হবে।

আবেদনের সময়সূচি

 তারিখ ধাপ
 ৪ আগস্ট ২০২৬ আবেদন শুরু।
 ৬ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৫টা আবেদন শেষ। এরপর অনলাইন আবেদন ব্যবস্থা আর ব্যবহার করা যাবে না।
 অক্টোবর ২০২৬ যোগ্যতার মানদণ্ড অনুযায়ী আবেদন যাচাই।
 অক্টোবর ২০২৬-এর মাঝামাঝি–জানুয়ারি ২০২৭ স্বাধীন রিডিং কমিটির মাধ্যমে যোগ্য আবেদন মূল্যায়ন।
 ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর মাঝামাঝি সাক্ষাৎকারের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত আবেদনকারীদের নাম ঘোষণা
 মার্চ–এপ্রিল ২০২৭ ব্রিটিশ দূতাবাস ও হাইকমিশনে সাক্ষাৎকার।
 জুন ২০২৭-এর মাঝামাঝি সাক্ষাৎকারের ফল প্রকাশ ও সফল প্রার্থীদের জানানো
 ৮ জুলাই ২০২৭ সফল সাক্ষাৎকারপ্রার্থীদের যুক্তরাজ্যের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিঃশর্ত ভর্তির প্রস্তাব জমা দিতে বলা হবে
 সেপ্টেম্বর/অক্টোবর ২০২৭ চেভেনিং স্কলাররা যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা শুরু করবেন