logo

সঠিক কারিকুলামে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠানো দরকার: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

সঠিক কারিকুলামে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠানো দরকার: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) সম্মেলন কক্ষে এক সভায় গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। ছবি : সংগৃহীত

ডিজাইন, প্রশিক্ষণ ও পাইলটিং শেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ২০২৮ সালে নতুন পাঠক্রম পাবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এ সময় সঠিক কারিকুলাম তৈরি করে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠানো দরকার বলেও জানান তিনি।

রোববার (১৭ মে) ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) সম্মেলন কক্ষে প্রাথমিক স্তরের ভাষার দক্ষতা উন্নয়ন পাইলটিং কার্যক্রমের বেইজলাইন রিপোর্ট শেয়ারিং বিষয়ক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় অনেক জায়গায় পিছিয়ে আছেন জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রতিটা প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাই। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা ফেল করছে। এই শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের শেখানোর মতো করে তৈরি করা হয়নি।

তিনি বলেন, শেখানোর জায়গা থেকে আমরা অনেক দূরে সরে এসেছি। শিক্ষাব্যবস্থা হতে হবে যেখানে শেখানো যাবে। প্রথমত কারিকুলাম নকশা করতে হবে, যেখানে আমরা শিক্ষার্থীদের শেখাব।

প্রথমে কারিকুলাম নকশা করতে হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেই কারিকুলাম শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দিতে পারে। কারণ বাকি সবকিছু এই কারিকুলামের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কারিকুলামে ভুল করলে বাকি সব করে কোনো লাভ নেই। যত দিন না কারিকুলাম ঠিক করতে না পারলে কোনো কিছু করে লাভ নেই। তাই এখন দরকার সঠিক কারিকুলাম ডিজাইন করে সঠিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠানো।

প্রাথমিক শিক্ষায় নানা প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, ভাষা, গণিত, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি—এই ভিত্তিতে আমরা নতুন কারিকুলামের দিকে যাচ্ছি। এটা কেবল ক্লাসরুমে আবদ্ধ থাকবে না। ভবিষ্যতে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আর্কিটেকচার স্ট্রাকচার হবে শিশুদের শেখার ভিত্তিতে।

সভায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (ন্যাপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।