logo
Advertisement

দাওরায়ে হাদিসের মেধাবৃত্তির টাকা বোর্ডে পাঠাল আল-হাইআতুল উলয়া

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
দাওরায়ে হাদিসের মেধাবৃত্তির টাকা বোর্ডে পাঠাল আল-হাইআতুল উলয়া
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের লোগো। ছবি: উইকিপিডিয়া

কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স সমমান) পরীক্ষায় মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত ১৪৮ শিক্ষার্থীর জন্য নির্ধারিত ৮ লাখ ৬৩ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট বোর্ডসমূহের কাছে হস্তান্তর করেছে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো সংস্থার অফিস ব্যবস্থাপক মু. অছিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই অর্থ বিতরণের তথ্য জানানো হয়। এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালে মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্তদের এ অর্থ বোর্ডগুলোর কাছে পাঠানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বোর্ড থেকে বৃত্তির টাকা সংগ্রহ করতে হবে। তবে আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ বোর্ডভুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বৃত্তির অর্থ আল-হাইআতুল উলয়ার কার্যালয় থেকে সরাসরি সংগ্রহ করতে হবে।

চলতি বছর মেধাবৃত্তির জন্য নির্বাচিত ১৪৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১২২ জন ছাত্র ও ২৬ জন ছাত্রী রয়েছেন। ছাত্রদের জন্য নির্ধারিত হয়েছে মোট ৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা এবং ছাত্রীদের জন্য ১ লাখ ৯২ হাজার টাকা। পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারীকে ২০ হাজার, দ্বিতীয় স্থান অধিকারীকে ১৫ হাজার এবং তৃতীয় স্থান অধিকারীকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। চতুর্থ থেকে দশম স্থান পর্যন্ত প্রত্যেককে ৭ হাজার টাকা এবং ১১তম স্থান থেকে মেধা তালিকার শেষ পর্যন্ত প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। একই মেধাস্থান অর্জনকারী একাধিক শিক্ষার্থী থাকলে প্রত্যেকেই ওই স্থানের নির্ধারিত হারে বৃত্তি পাচ্ছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ২০১৭ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে মেধাবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১০ বছরে মোট ১ হাজার ৫৭২ শিক্ষার্থীকে ৯০ লাখ ৪৯ হাজার টাকা মেধাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে।

সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধন ও পরীক্ষার ফি সংস্থাটির আয়ের প্রধান উৎস। তা ছাড়া সাময়িক সনদ ও নম্বরপত্রের জন্য যথাক্রমে ২০০ ও ১০০ টাকা ফি নেওয়া হলেও মূল সনদ ও নম্বরপত্র উত্তোলনে কোনো ফি নেওয়া হয় না। এই আয় থেকেই পরীক্ষা পরিচালনার ব্যয় নির্বাহের পর গত এক দশকে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এই টাকা ব্যয় করা হয়েছে।