logo

এসএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গুজব ও অপপ্রচার চলছে : ঢাকা শিক্ষা বোর্ড

এসএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গুজব ও অপপ্রচার চলছে : ঢাকা শিক্ষা বোর্ড

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে সেটি অস্বীকার করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ড বলছে, এ-সংক্রান্ত ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে একটি অসাধু চক্র শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক ও নৈতিক অবক্ষয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্টের চেষ্টা করছে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এই সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২০ এপ্রিল পুলিশের সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ (সিটিটিসি) কর্তৃক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ‘এসএসসি ২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস গ্রুপ’ নামক একটি ফেসবুক পেজ শনাক্ত করা হয়। প্রাপ্ত তথ্য ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সিটিটিসির একটি বিশেষ দল ২৩ এপ্রিল ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার জিরাবো টাঙ্গুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তারা অবৈধ আর্থিক লাভ এবং সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ফাঁসের মিথ্যা প্রচার চালিয়ে চলমান পরীক্ষা কার্যক্রমকে ব্যাহত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।

আরও বলা হয়, এ অবস্থায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত প্রশ্নপত্র ফাঁস-সংক্রান্ত গুজব, অপপ্রচার ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে সচেতন থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

এর আগে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে শিক্ষার্থীদের থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, মো. সিফাত আহমেদ সজীব, মো. সালমান, মো. মেজবাউল আলম মাহি ও মো. মহিউজ্জামান মুন্না।

এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সিটিটিসি যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দীন বলেন, ‘বর্তমানের প্রশ্নপত্রের সঙ্গে তাদের দেওয়া প্রশ্নের মিল নেই। প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিত তারা।’