সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিক্ষার্থী-সাংবাদিকের ওপর হামলায় জড়িতদের শাস্তি দাবি ডাকসুর

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হামলায় সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদ গুরুতর আহত হয়েছেন। একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের নেতা নাইম আহমেদের ওপরও বিনা উসকানিতে হামলার অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম।
বিবৃতিতে জানানো হয়, সোমবার রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পরিচালিত অভিযানের সময় দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একই সময়ে শিক্ষার্থী নাইম আহমেদকে কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই লাঠিপেটা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযানের সময় কারও কাছে বেআইনি কিছু পাওয়া গেলে বা কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করাই বিধিসম্মত পন্থা। বিনা উসকানিতে বলপ্রয়োগ গ্রহণযোগ্য নয়।
ডাকসু আরও বলেছে, একজন শিক্ষার্থী ও দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকের ওপর এ ধরনের হামলা ন্যক্কারজনক এবং স্বাধীন গণমাধ্যম ও নাগরিক অধিকারের পরিপন্থি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে সংযম, পেশাদারিত্ব ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ প্রত্যাশিত।
ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে ডাকসু।
পাশাপাশি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ যেসব এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী বা অন্যান্য অভিযান পরিচালিত হয়, সেখানে যাতে নিরীহ শিক্ষার্থী, সাংবাদিক বা সাধারণ মানুষ হয়রানি ও হেনস্তার শিকার না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারির আহ্বান জানানো হয়েছে।