ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে গেছে ইবির প্রধান ফটক

বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের পোস্টার ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটক। সেখানে কৃষ্ণচূড়ার সৌন্দর্যের পরিবর্তে এখন শোভা পাচ্ছে দলীয় ব্যানার। ফলে নষ্ট হচ্ছে প্রধান ফটকের সৌন্দর্য। এমনকি ফটকটি রাজনৈতিক প্রচারণার কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে বলেও মনে করছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, ব্যানারগুলো দ্রুত অপসারণ করা হোক।
সরেজমিন দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের দুই পাশ, মাঝের অংশ ও কৃষ্ণচূড়ার স্থানজুড়েও বিভিন্ন ব্যানার, পোস্টার ও বিজ্ঞপ্তি টানানো হয়েছে। সেখানে ছাত্রশিবির, ছাত্রদল ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন কোচিং সেন্টার ও কোম্পানির পোস্টার দেখা গেছে। অনেক ব্যানারে ছাত্রসংগঠনগুলোর কর্মসূচি, শুভেচ্ছাবার্তা ও নেতাকর্মীদের ছবিও ব্যবহার করা হয়েছে। এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রধান ফটক শুধু প্রবেশপথ নয়; এটি প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যের প্রতীক। সেখানে অতিরিক্ত পোস্টার ও ব্যানার ব্যবহারের ফলে ফটকের নান্দনিক সৌন্দর্য আড়াল হয়ে যাচ্ছে। এতে ক্যাম্পাসের পরিবেশ অনেকটা রাজনৈতিক কার্যালয়ের মতো মনে হচ্ছে।
ইবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক গোলাম রব্বানী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে দলীয় ব্যানার লাগানো কোনোভাবেই উচিত নয়। আমরা চাই সেখানে কোনো সংগঠনের ব্যানার না থাকুক। আমাদের কোনো ব্যানার থাকলেও আমরা দ্রুত তা সরিয়ে ফেলব।
শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, প্রধান ফটকে এ ধরনের পোস্টার লাগানো উচিত নয়। বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানার দেখেই আমরাও ব্যানার লাগিয়েছি। আমাদের দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে লিখিত নির্দেশনা দেওয়া হোক যে মেইন গেটে কোনো ধরনের পোস্টার বা ব্যানার লাগানো যাবে না। আশপাশে অনেক জায়গা আছে, সংগঠনগুলো সেসব স্থান ব্যবহার করতে পারে।
এ বিষয়ে ইবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহেদ আহমেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে বসে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। এর বাইরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যেসব ব্যানার আছে সেগুলো শিগ্গিরই অপসারণ করা হবে।