logo

শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন স্থগিত

শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন স্থগিত
ছবি: এশিয়া পোস্ট কোলাজ

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ৬ অক্টোবর থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) বিভাগের সরকারি কলেজ-১ শাখা থেকে উপসচিব এ এস এম শাহরিয়ার জাহান স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন ৬ অক্টোবর থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অঞ্চলের পরিচালকদের কাছে আদেশের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও শাখাগুলোকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

এর আগে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে নতুন নীতিমালা জারি করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালায় বদলি প্রক্রিয়ায় তদবির কমানো এবং নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও শর্ত পূরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

নীতিমালায় বলা হয়, প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকদের বদলির দায়িত্ব দেওয়া হয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালকের নেতৃত্বাধীন কমিটিকে। সহযোগী অধ্যাপকদের বদলি ও পদায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয় মাউশির মহাপরিচালকের নেতৃত্বাধীন কমিটিকে। আর অধ্যাপক ও অন্য শীর্ষ পদের কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হয়।

বর্তমান কর্মস্থলে ন্যূনতম দুই বছর চাকরি পূর্ণ না করলে সাধারণভাবে বদলির আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়নি নতুন নীতিমালায়। তবে বিশেষ শারীরিক, মানসিক বা পারিবারিক পরিস্থিতিতে এ শর্ত শিথিল করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া বদলি বা পদায়নের আবেদন করতে কর্মকর্তার পার্সোনাল ডাটা শিট (পিডিএস) হালনাগাদ থাকা এবং টানা তিন বছরের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন (এসিআর) সন্তোষজনক হওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা বা তদন্তাধীন অভিযোগ থাকলে তাকে বদলির জন্য অযোগ্য বিবেচনার বিধানও রাখা হয় নীতিমালায়।