বেফাক পরীক্ষায় ফজিলতে ছাত্রদের মধ্যে সেরা ১০ যারা

বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) ৩৯তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এতে সর্বোচ্চ ক্লাস ফজিলত পরীক্ষায় ছাত্রদের মেধা তালিকায় ৭৬৪ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন মিরপুর-১৪ জামেউল উলূম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আবু ইউসুফ।
বুধবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে বেফাক মিলনায়তনে বেলা ১১টায় বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
ছাত্রদের মধ্যে সেরা দশ যারা
১. আবু ইউসুফ- জামেউল উলূম মাদ্রাসা, মিরপুর-১৪, ঢাকা।
২. আব্দুল্লাহ বিন ওমর- জামিআ রাব্বানিয়া আরাবিয়া, জালকুড়ি, নারায়ণগঞ্জ।
৩. মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ- জামিয়া মাহমূদীয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা, দেশীপাড়া, গাজীপুর।
৪. সানাউল্লাহ- মাদ্রাসা বাইতুল উলূম ঢালকানগর, ঢাকা এবং মো. আ. আলিম- জামেউল উলূম মাদ্রাসা মিরপুর-১৪, ঢাকা।
৫. আবরার আবিদ- ইমদাদুল উলূম রশিদিয়া মাদ্রাসা, খানজাহান আলী, খুলনা।
৬. মো. যোবায়ের আহমাদ (জামিয়া শারইয়্যাহ মালিবাগ, ঢাকা এবং তাউফিকুর রহমান- জামিয়াতুস সুন্নাহ, শিবচর, মাদারীপুর।
৭. মো. ইউসুপ আলী- জামিয়াতুস সুন্নাহ, শিবচর, মাদারীপুর, মুহাম্মদ মাহদী হাসান- জামেউল উলূম মাদরাসা, মিরপুর-১৪, ঢাকা এবং মো. আশরাফুল ইসলাম- জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া, মুহাম্মদপুর, ঢাকা।
৮. রাকিবুল ইসলাম জয়- জামিআ রাব্বানিয়া আরাবিয়া, জালকুড়ি, নারায়ণগঞ্জ।
৯. মুহাম্মদ মুআয খান- মাদ্রাসা বাইতুল উলূম ঢালকানগর, ঢাকা।
১০. সাদ বিন মোয়াজ্জেম ও জুবায়ের আহমাদ- জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়া, ঢাকা, মুহাম্মদপুর এবং মো. মাহদী হাসান- জামিয়া ইসলামিয়া ইমদাদুল উলূম দয়াপুর, কুমিল্লা।
এবারের পরীক্ষায় মোট ২ লাখ ৮৬ হাজার ৫৯১ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। এর মধ্যে মুমতাজ (স্টার মার্ক) পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৫০০ জন। জায়্যিদ জিদ্দান (প্রথম বিভাগ) ৫৫ হাজার ৭৪৭ জন, জায়্যিদ (দ্বিতীয় বিভাগ) ৬৫ হাজার ৬৭৩ জন এবং মাকবুল (তৃতীয় বিভাগ) পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৬৭১ জন।
পরীক্ষার ফলাফলের যাবতীয় তথ্য বেফাকের নিজস্ব ওয়েবসাইটে (www.wifaqresult.com) পাওয়া যাবে। এ সময় শুধু ২০২৬ সালের নতুন ফলাফলই দেখা যাবে।
২০০৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ফলাফল শাওয়াল মাস থেকে ওয়েবসাইটে দেখা যাবে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
চলতি বছরের ১৭ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে সাতটি স্তরে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের ২ হাজার ৪০৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৩৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ছিল ১ লাখ ৫০ হাজার এবং ছাত্রী ছিল ২ লাখ ২৩ হাজার ২০৩ জন।