যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আইইএলটিএস ছাড়াই বৃত্তি নিয়ে পড়া যাবে

বাংলাদেশি অনেক শিক্ষার্থীর স্বপ্ন থাকে বিদেশে উচ্চশিক্ষার। তবে ভাষাগত শর্ত বা আইইএলটিএসের কারণে সে স্বপ্ন অনেক সময় অধরাই থেকে যায়। আইইএলটিএস ছাড়া উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। ২০২৬ সালে দেশটির বিভিন্ন স্কলারশিপে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। এসব স্কলারশিপের আওতায় স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডির জন্য শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে আইইএলটিএস বাধ্যতামূলক নয়।
৩৭০টিরও বেশি স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় আছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থীকে সরকারি স্কলারশিপের আওতায় নেওয়া হয়।
এসব প্রতিষ্ঠানে আধুনিক ইউরোপীয় মানের শিক্ষা সুবিধা, উন্নত ল্যাব এবং গবেষণা অবকাঠামো আছে। এ ছাড়া এসব প্রতিষ্ঠানে সহজে আবেদন, বিভিন্ন ধরনের স্কলারশিপ, অধ্যাপকদের তত্ত্বাবধানে গবেষণা ও আন্তর্জাতিক মানের ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ রয়েছে।
সুযোগ-সুবিধা: আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি দিয়ে থাকে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এ বৃত্তির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ করা হয়। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয় মাসিক ভাতা, যাতায়াতের বিমানভাড়া, আবাসন সুবিধা ও স্বাস্থ্যবিমা।
যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আইইএলটিএস ছাড়াই আবেদনের সুযোগ আছে: দক্ষিণ কোরিয়ার বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে আইইএলটিএস লাগবে না। ইংরেজি মাধ্যমের সনদ বা টিওইএফএল হলেই আবেদন করা যায়। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠান হলো—
১. কোরিয়া ইউনিটভার্সিটি: বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়, বিকল্প ভাষা সনদ গ্রহণযোগ্য।
২. সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি: ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সনদ গ্রহণ করে।
৩. ইয়নসে ইউনিভার্সিটি: ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশেনা বা ইংরেজিভাষী দেশ হলেই আবেদন করা যায়।
৪. সেজং ইউনিভার্সিটি: বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ গ্রহণযোগ্য।
৫. গাচন ইউনিভার্সিটি: ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সনদে আবেদনের সুযোগ আছে।
৬. পোহাং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি: আইইএলটিএস বা টিওইএফএল ছাড়াই আবেদন করা যাবে।
৭. হানিল ইউনিভার্সিটি: আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ছাড় আছে।
আবেদনের পদ্ধতি: আগ্রহী শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।