logo

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় মানতে হবে ১০ নির্দেশনা

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় মানতে হবে ১০ নির্দেশনা

২০২৫ সালের সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা চলতি বছর এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সময়সূচি এখনো প্রকাশ না হলেও প্রশ্নপত্রের কাঠামো, নম্বর বণ্টন ও পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

প্রকাশিত নীতিমালায় পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি বাধ্যতামূলক নির্দেশনা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরীক্ষার কাঠামো

বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, প্রাথমিক বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে। বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে প্রতিটি বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে, সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। প্রাথমিক বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় মিলিয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে একই সময়ে।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবেন। প্রতিটি বিষয়ে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে বৃত্তির জন্য।

বৃত্তির ধরন

ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—এই দুই ধরনের বৃত্তি দেওয়া হবে। ছাত্র ও ছাত্রী সমান সংখ্যায় নির্বাচিত হবে। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি বিদ্যালয় এবং ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত।

পরীক্ষার হলে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

১. প্রবেশপত্রসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষাকক্ষে উপস্থিত থাকতে হবে।
২. প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে না।
৩. মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন করা নিষিদ্ধ।
৪. উত্তরপত্রের নির্ধারিত স্থানে প্রয়োজনীয় তথ্য ছাড়া অন্য কিছু লেখা যাবে না।
৫. উত্তরপত্রে পরিদর্শকের স্বাক্ষর থাকতে হবে, না হলে তা বাতিল হতে পারে।
৬. খসড়ার জন্য আলাদা কাগজ দেওয়া হবে না; উত্তরপত্রেই তা করতে হবে।
৭. উত্তরপত্র ছাড়া অন্য কোথাও কিছু লেখা যাবে না (টেবিল, শরীর ইত্যাদি)।
৮. প্রশ্নপত্র বিতরণের পর এক ঘণ্টা পূর্ণ না হলে হল ত্যাগ করা যাবে না।
৯. পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র জমা দিয়ে তবেই হল ত্যাগ করতে হবে।
১০. কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের সব নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

আচরণবিধি

পরীক্ষার সময় কথা বলা, কাগজ আদান-প্রদান, অন্যের উত্তর দেখা বা দেখা দেখানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। উত্তরপত্র জমা না দিয়ে হল ত্যাগ করা যাবে না এবং খাতা পরিবর্তন বা নষ্ট করা যাবে না। ‍