নজরুল বর্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের নির্দেশ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে ঘোষিত ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এসব প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত নির্দেশিকা জারি করেছে। এতে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিযোগিতা আয়োজন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামীকাল ২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে প্রতিযোগিতার কার্যক্রম। পর্যায়ক্রমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করতে হবে।
শিক্ষার্থীদের বয়স ও শ্রেণিভেদে প্রতিযোগিতায় রাখা হয়েছে নজরুলসংগীত, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, একক অভিনয়, একক নৃত্য, রচনা ও উপস্থিত বক্তৃতাসহ বিভিন্ন বিষয়।
নীতিমালা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ তিনটি বিষয়ে অংশ নিতে পারবে। প্রতিটি পর্যায়ে একটি বিষয়ে প্রথম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীই কেবল পরবর্তী ধাপের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিযোগিতা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে নির্ধারিত লোগো ব্যবহার বাধ্যতামূলক। জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের যথাক্রমে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদকের পাশাপাশি বিশেষ সনদ দেওয়া হবে।
দেশব্যাপী এ আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জাতীয় পর্যায় থেকে উপজেলা পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশাসনিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটি প্রতিযোগিতার আয়োজন, ব্যবস্থাপনা ও পরবর্তী ধাপে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে।



