মাউশিতে তদবির করতে এসে আটক ভুয়া যুগ্মসচিব

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) তদবির করতে এসে ধরা পড়েছেন আলমগীর শিকদার নামে একজন ভুয়া যুগ্মসচিব। পরে তাকে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আলমগীর গোপালগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার সুলতানশাহী গ্রামের ইনজিন শিকদারের ছেলে। মাউশি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মাউশি সূত্র জানায়, সুলতানশাহী কেকানিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির চার কর্মচারীর নিয়োগের তদবির নিয়ে গত দুই সপ্তাহ আগে মাউশিতে আসেন আলমগীর শিকদার। এ সময় মাউশির শিক্ষা কর্মকর্তা (মাধ্যমিক-২) মওদুদ আহমদের কাছে গিয়ে নিজেকে ১৩তম বিসিএসের কর্মকর্তা ও এলজিইডি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হিসেবে পরিচয় দেন। একই সঙ্গে তার ছেলে সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে কর্মরত বলেও পরিচয় দেন। তবে তার কথাবার্তায় সন্দেহ হলে মওদুদ আহমদ আজ তাকে আবার মাউশিতে ডেকে আনেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে ভুয়া প্রমাণিত হলে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করে মাউশি কর্তৃপক্ষ।
সূত্র জানায়, এর আগেও বিভিন্ন জায়গায় তদবির করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন আলমগীর। জুলাই গণহত্যা মামলার আসামিও তিনি।
মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মো. নাজমুল হক বলেন, তিনি একটি তদবির নিয়ে গত কয়েক দিনে তিন-চারবার এসেছেন। তার আচরণে সন্দেহ হলে আজ ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় তাকে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়।
এর আগে গত ২৭ জুলাই রাজধানীর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের নাম ব্যবহার করে ভুয়া ডিও লেটার নিয়ে বদলির তদবির করতে এসে ধরা পড়েন মো. মুহিব্বুল্লাহ নামের আরেক প্রতারক। ধরা পড়া ব্যক্তি নিজেকে ৩৬তম বিসিএসের ক্যাডার এবং বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী শিক্ষক হিসেবে দাবি করেছিলেন তিনি।
