রমজানে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘রহমত’

বরাবরের মতো এ রমজানেও বৈশাখী টিভিতে প্রচার হবে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘রহমত’। পহেলা রমজান থেকে প্রতিদিন বিকাল ৬.২০ মিনিটে প্রচার হবে নাটকটি। আল আমিন স্বপনের রচনায়, মামুন আব্দুল্লাহর পরিচালনায় , লিটু সোলায়মানের ব্যবস্থাপনায় নাটকের সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে আছেন বৈশাখী টিভির উপব্যবস্থাপনা পচিালক ও প্রধান সম্পাদক টিপু আলম মিলন।
পরিচালক মামুন আব্দুল্লাহ বলেন, নাটকের মূল উদ্দেশ্য—পবিত্র রমজানে কোরআন হাদিসের আলোকে মানুষকে সচেতন করা, যাবতীয় অন্যায় থেকে দূরে রাখা, ভালো ভালো কাজের প্রতি উৎসাহিত করা।
নাটকের গল্প নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, মফস্বল শহরের একটি গ্রাম সুন্দরগঞ্জ। এ গ্রামেই পরিবার-পরিজন নিয়ে বাস করেন আলী মাস্টার। সারাজীবন হাইস্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। তিন বছর আগে অবসর নিয়েছেন। তিন সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে তিতলি স্বামীসহ এই বাড়িতেই থাকে। একমাত্র ছেলে মিঠু এবং ছোট মেয়ে তিশাও এ বাড়িতে থাকে। রমজান মাস। সেহরী খাবার টেবিলে আলী মাস্টার দুটি ঘোষণা দেন— ‘এক. আগামীকাল সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাসায় যেন কোনো রান্না না করা হয়, দুই. পুরো রমজান মাসেই তিনি সেহেরী এবং ইফতারের সময় একজন করে মেহমান নিয়ে আসবেন। মেহমান বলতে গরীব দুঃখী মানুষকে বুঝিয়েছেন তিনি। এই বিষয়ে কেউ কোনো আপত্তি তুলতে পারবে না।
সকাল থেকে বাড়িতে রান্না হয়নি দেখে রহমত মাষ্টারের ছেলে মিঠু বাজারের এক দোকানে বসে চা এবং সিগারেট খায়। দোকানে পর্দা টাঙানো থাকায় বাইরে থেকে বোঝা যায় না। সেখানেই আসে তার দুলাভাই মতিন। বাইরে বসে খাওয়া যাবে না বলে দুই শালা-দুলাভাই এখানে বসেই চা নাস্তা করে। এর এভাবেই এগিয়ে যায় নাটকের গল্প।
বৈশাখী টিভির অনুষ্ঠান বিভাগ প্রযোজিত এ নাটকের সংগীত আয়োজনে আছেন নসরুল হক রনি ও রিফাত বিন কাউসার। চিত্রগ্রহণে কবিরুল ইসলাম ইমরান ও আবু তাহের, সম্পাদনায় দীপঙ্কর চৌধুরী।
নাটকটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন—আব্দুল্লাহ্ রানা, মৌ শিখা, এম কে এইচ পামির, শেখ স্বপ্না, আশরাফুল আশীষ, মুসকান সিকদার, আলিফ চৌধুরী, ডিম্পল আহমেদ, নিপুন আহমেদ, অধরা নিহারিকা, সিদ্দিক মাষ্টার, মনিরুজ্জামান মনি, হাসিমুন, শিশুশিল্পী রেহনুমা আরিবা, মাসুদ হারুন, আলমাস, ইমরান হোসেন হাসো, লেলিন মৃধা, সাভা তাবাসসুম, শৈশব আমিরী, শাহজাহান শোভন, হাবিবুর রহমান প্রমুখ।