logo
Advertisement

ক্যানসারের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফা লড়াই শুরু সামিয়ার

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
ক্যানসারের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফা লড়াই শুরু সামিয়ার
সামিয়া আফরিন। ছবি : ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

মরণব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে লড়ছেন উপস্থাপক ও অভিনেত্রী সামিয়া আফরিন। এবার আবারও নতুন পরীক্ষার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। মাত্র তিন মাস আগে তার শরীরে দ্বিতীয়বারের মতো ম্যালিগন্যান্ট ধরা পড়ে। আক্রান্ত হয়েছেন ওভারিয়ান ক্যানসারে।

Advertisement

রোববার (২৩ আগস্ট) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক আবেগঘন পোস্টে নিজের বর্তমান চিকিৎসা ও মানসিক প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন তিনি।

সামিয়া বলেন, তিন মাস আগে পরীক্ষায় তার শরীরে দ্বিতীয় ম্যালিগন্যান্ট শনাক্ত হয়। দ্রুত অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। পরে চিকিৎসকরা জানান, এটি হাই-গ্রেড কার্সিনোমা। তাই এখন কেমোথেরাপির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে তাকে।

পোস্টে সামিয়া আফরিন লেখেন, দুর্ভাগ্যবশত, এটি ছিল হাই-গ্রেড কার্সিনোমা, তাই এখন আমাকে কেমোথেরাপির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে যুদ্ধ করছি। প্রথমবার কেমো নিতে হয়নি, ইমিউনোথেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা চলেছিল। এবারের অভিজ্ঞতা তাই আমার কাছে একটু অন্যরকম।

ডাক্তার বলেছেন, কেমোর কারণে চুল পড়ে যেতে পারে। তাই বিষয়টাকে নিয়ে মন খারাপ না করে বরং স্পন্টেনিয়াসলি অ্যাকসেপ্ট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সবকিছু নিয়ে মন খারাপ করে তো লাভ নেই—সময়ের সঙ্গে নিজেকে অ্যাডাপ্ট করতে পারাটাই আসল।

তাই আজ নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন হেয়ারকাট করলাম। জানি, হয়তো কিছুদিন পর চুল পড়ে যাবে। কিন্তু তার আগেই নিজের এই নতুন লুকটাকে সেলিব্রেট করে, নিজেকেই একটু মোটিভেট করতে চাইলাম।

আমার এই জার্নির ছোট্ট একটা ক্লিপ শেয়ার করলাম। যারা এই পথের মধ্য দিয়ে গেছেন, তারাই জানেন—এই লড়াইটা কতটা কঠিন। আমি সত্যিই চাই না, আমার কাছের কোনো মানুষকে কখনো এমন একটা জার্নির মধ্য দিয়ে যেতে হোক।

শেষে তিনি লেখেন, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন—আল্লাহ যেন সবকিছু সহজ করে দেন, আগেরবারের মতো এবারও যেন আমার শক্তিটা ধরে রাখতে পারি এবং খুব শিগগিরই আমার স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে যেতে পারি। দোয়ায় রাখবেন।

এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে নিজের ক্যানসারজয়ের গল্প প্রকাশ্যে আনেন সামিয়া আফরিন। তখন তিনি জানান, ২০২২ সালের দিকে তার শরীরে ক্যানসার শনাক্ত হয় এবং পরীক্ষায় চতুর্থ স্টেজের কথা জানা যায়। প্রায় দুই বছর চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ওঠেন। সেই অভিজ্ঞতার পর ক্যানসারে আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে একটি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে কাজও করেন তিনি।