logo

এপস্টেইন বিতর্কে মুখ খুললেন জিজি হাদিদ

এপস্টেইন বিতর্কে মুখ খুললেন জিজি হাদিদ

মার্কিন সুপার র‌্যাম্প মডেল জেলেনা নওরা জিজি হাদিদ। গ্ল্যামার জগতের উজ্জ্বল এই র‌্যাম্প মডেলকে জিজি হাদিদ নামেই চেনে সবাই। নীলাভ-সবুজ চোখের আভায় চারদিক আলোকিত করে তোলেন খুব কম বয়সেই। কিছুদিন আগে ছোট বোন বেলা হাদিদসহ তার নাম বিতর্কিত এপস্টেইন ফাইলে উঠে আসে। এতদিন বিষয়টি নিয়ে চুপ থাকলেও অবশেষে মুখ খুললেন স্বর্ণকেশি এই সুপার মডেল।

মার্কিন ধনকুবের ও যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের ভয়ংকর অপরাধের কর্মকাণ্ড উঠে আসে এপস্টেইন ফাইলে। বিনোদনসহ বিশ্বের বিভিন্ন মাধ্যমের তারকাদের অন্ধকার জগতের ভয়াবহ তথ্য উঠে আসে এই ফাইলে।

সেই এপস্টেইন ফাইলে সুপারমডেল জিজি হাদিদ ও তার বোন বেলা হাদিদের ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অর্থলগ্নিকারী ব্যক্তির মধ্যে হওয়া একটি ইমেল আদান-প্রদানের প্রমাণ পাওয়া যায়। সেখানে বেনামি ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথনের এক পর্যায়ে অর্থলগ্নিকারী জিজ্ঞাসা করেন, ৩০ বছর বয়সী জিজি এবং ২৯ বছর বয়সী বেলা কীভাবে মডেল হলেন এবং এত টাকা উপার্জন করলেন। এপস্টেইন ফাইল মতে ওই ব্যক্তি ইঙ্গিত দেন যে, তাদের বাবা এজেন্সিকে টাকা দিয়েছিলেন।

সম্প্রতি এক ভক্ত জিজির ইনস্টাগ্রাম ক্যারোসেলে এপস্টেইন বিতর্কে মুখ না খোলায় মডেলকে আনফলো করেন। এর পরই মুখ খুললেন জিজি। কেন তিনি এপস্টেইনের ফাইলগুলোয় তার অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে প্রথমে কোনো মন্তব্য করেননি, সে বিষয়ও খোলাসা করেন। সূত্র: সিয়াসাত ডেইলি 

জিজি হাদিদ বলেন, ‘প্রকৃত ভুক্তভোগীদের থেকে মনোযোগ যেন না সরে তাই আমি কোনো মন্তব্য করিনি। আমি তার দ্বারা নির্যাতিত; বিষয়টি হয়তো স্পষ্ট নয়—এবং আপনাকে এটা জানানো জরুরি। এমন একজনের কাছ থেকে আপনার সম্পর্কে এমন কথা শোনাটা ভয়াবহ, যার সঙ্গে আপনার কখনও দেখাই হয়নি।’

জিজি আরও বলেন, ‘ওই ফাইলগুলোয় আমার নাম থাকাটা খুবই অস্বস্তিকর—আমার মনে হয়, যখন সে ওই ইমেলটি লিখেছিল তখন আমার বয়স ছিল ২০-২১ বছর। এবং আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই যে, ওই জঘন্য মানুষটির সঙ্গে আমার কখনও কোনো সম্পর্ক ছিল না।’