হোটেল রুম নোংরা করার অভিযোগে কী ব্যাখ্যা দিলেন জেমসের ম্যানেজার

বর্তমানে টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে জেমসকাণ্ড। ইতালির রোমের কনসার্ট শেষে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জড়ান জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘নগর বাউল’র ভোকালিস্ট জেমস ও তার সফরসঙ্গীরা। তাদের বিরুদ্ধে রোমের একটি হোটেলের কক্ষ অগোছালো ও নোংরা করে রেখে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এমনকি না জানিয়ে হোটেল ছেড়েছেন বলেও দাবি করেন হোটেল কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় কক্ষটি পরিচ্ছন্ন করার জন্য কনসার্টের আয়োজকদের কাছে অতিরিক্ত ২০০ ইউরো চেয়েছে তারা। এদিকে বিষয়টিকে তুচ্ছ ঘটনা দাবির পাশাপাশি কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে কক্ষ ছেড়ে চলে আসার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেমসের ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন।
গণমাধ্যমকে রবিন জানান, হোটেলের ৪টি কক্ষে ছিলেন জেমস ও তার টিমের সদস্যরা। এর মধ্যে ৩৪৫ নম্বর রুমে জেমস এবং ২৪৬ নম্বর রুমে ছিলেন তিনি। হোটেল কর্তৃপক্ষ ৫৪৯ নম্বর কক্ষটি নোংরা পাওয়ার অভিযোগ করেছে, সেখানে জেমস নয়, অন্য একজন মিউজিশিয়ান ছিলেন। তাই একজনের কক্ষের অবস্থার দায়ভার জেমসের ওপর বর্তায় না।

অন্যদিকে জেমসের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন ইতালির কনসার্ট আয়োজক হোসাইন আহমেদ মোয়াজ। তিনি জানান, কনসার্টের অগ্রিম অর্থ ও টিকিট বিক্রির সম্পূর্ণ টাকা নিজের কাছেই রেখে দেন রবিন। অনুষ্ঠান শেষে আয়ের হিসাব দিতেও অস্বীকৃতি জানান গায়কের ম্যানেজার।
এই অভিযোগই শেষ নয়, অবৈধভাবে হুন্ডির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা দেশে পাচার করার অভিযোগও উঠেছে রবিনের বিরুদ্ধে। যদিও এসব অভিযোগ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি রবিন কিংবা জেমসের।
গত ১৬ আগস্ট ইতালির রোমে একটি কনসার্টে অংশ নিয়েছিলেন জেমস ও তার টিম। সেখানকার স্থানীয় বেস্ট ওয়েস্টার্ন হোটেলের একটি অ্যাপার্টমেন্টে ছিলেন তারা। কনসার্ট শেষে জেমস ও তার দল হোটেল ত্যাগ করার পরপরই শুরু হয় বিপত্তি। রীতিমতো বিতর্কের মুখে পড়েছেন তারা।


