logo

‘সুপারগার্ল’ মিলি অ্যালককের সুপার চিন্তাধারা

‘সুপারগার্ল’ মিলি অ্যালককের সুপার চিন্তাধারা

ডিসি কমিকসের একটি জনপ্রিয় চরিত্র সুপারম্যান। পৃথিবীব্যাপী অনাচার আর ভয়ংকর শত্রুর বিরুদ্ধে একা হাতেই করে যান প্রতিরোধ। এবার সেই সুপারম্যানের সহযোগিতায় পৃথিবীকে বাঁচাতে আসছে ‘সুপারগার্ল’। সুপারম্যানের মতোই তার ক্ষমতা—প্রচণ্ড শক্তি, উড্ডয়ন, এক্স-রে ভিশন এবং অমরত্ব।

পৃথিবীতে সে কারা ড্যানভার্স নামে পরিচিত এবং ন্যাশনাল সিটির রক্ষাকর্তা। সে তার কাজিন কাল-এল, যে সুপারম্যান হিসেবে পরিচিত, তাকে রক্ষা করার জন্য পৃথিবীতে আসে। আর সুপারগার্লের চরিত্র অভিনয় করছেন অস্ট্রেলিয়ান অভিনেত্রী মিলি অ্যালকক। আসন্ন ডিসি ইউনিভার্স ফিল্মটির প্রধান চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করছেন তিনি। সুপারহিরো অ্যাডভেঞ্চার সিনেমাটি মুক্তি পাবে আগামী ২৬ জুন। 

মুক্তির আগেই আলোচনার তুঙ্গে থাকা ‘সুপারগার্ল’ মিলি অ্যালকক সব সময় সমালোচনার জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখেন। সমালোচনা সামলানোর তার এই চিন্তাধারা তাকে করে তুলেছে অনন্য। নারী হিসেবে একটি সুপারহিরো ব্লকবাস্টারের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করবেন—এ জন্য হয়তো নানা জনের বাক্যবানে জর্জরিত হতে হবে, তাই তার সেই প্রস্তুতি। সম্প্রতি ভ্যানিটি ফেয়ারকে মিলি বলেন, ‘এটি আমাকে অবশ্যই সচেতন করেছে যে, ওই পরিসরে একজন নারী হিসেবে কেবল অস্তিত্ব বজায় রাখাই এমন একটি বিষয় যা নিয়ে মানুষ মন্তব্য করে।’ সূত্র: হলিউড রিপোর্টার্স

সংবাদমাধ্যম ভিএফ-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারের কিংবদন্তি পরিচালক মার্টিন স্করসেসি ও রিডলি স্কটের সুপারহিরো জনরার সমালোচনা সম্পর্কে মিলি বলেন, ‘বহু যুগ ধরেই অসাধারণ চলচ্চিত্র নির্মাণ করে আসছেন। সব চলচ্চিত্র সবার জন্য নয়। শিল্পের সৌন্দর্যই হলো যে আপনি বেছে নিতে পারেন।’ স্করসেসি বরাবরই সুপারহিরো ঘরানার সিনেমাকে ‘থিম পার্ক’-এর সঙ্গে তুলনা করেন। অন্যদিকে স্কট বলেন ‘জঘন্য বিরক্তিকর’।
‘সুপারগার্ল’ সিনেমায় অ্যালককের চরিত্র কারা জোর-এল, ওরফে সুপারগার্লকে দেখানো হয়েছে। কারা জোর এক অপ্রত্যাশিত সঙ্গীর সঙ্গে মিলে প্রতিশোধ ও ন্যায়বিচারের এক আন্তঃনাক্ষত্রিক যাত্রায় বেরিয়ে পড়েন, যখন এক অনাকাঙ্ক্ষিত শত্রু তার খুব কাছে এসে আঘাত হানে।

সুপারগার্ল শুধুমাত্র সুপারম্যানের ছায়া নয়; বরং নিজস্ব ক্ষমতা ও সাহসিকতার মাধ্যমে ডিসি মহাবিশ্বে একজন শক্তিশালী নারী সুপারহিরো হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। আর মিলি অ্যালকক সেই নারীর প্রতিনিধিত্ব করবে, যারা নিজেদের অফুরাণ প্রাণশক্তিতে বলীয়ান হয়ে অনাগত শঙ্কা থেকে পৃথিবীকে রক্ষায় নিজেদের উজাড় করে দেন।