logo

কোরিয়ান ওয়েভে বিশ্ব মাতাতে আসছে ‘ব্ল্যাকপিঙ্ক’

কোরিয়ান ওয়েভে বিশ্ব মাতাতে আসছে ‘ব্ল্যাকপিঙ্ক’

কোরিয়ান কে-পপের মূর্তপ্রতীক হয়ে কিশোর-তরুণের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটিয়ে ২০১৬ সালে আগমন ঘটে চার তরুণীর ব্যান্ড দল 'ব্ল্যাকপিঙ্ক'। আগমনের পর থেকেই বিশ্বব্যাপী হইচই ফেলে দেয়। বিশ্ববাসীকে তারা পপসংগীতের একটি নতুন ধারার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। এবার প্রায় সাড়ে তিন বছর পর ‘ডেডলাইন’ অ্যালবাম নিয়ে ব্ল্যাকপিঙ্ক ফিরছে বিশ্ব মাতাতে।

ব্ল্যাকপিঙ্ক আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের তৃতীয় অ্যালবাম ‘ডেডলাইন’-এর আকর্ষণীয় দুটি পোস্টার উন্মোচন করেছে রোববার। ডেডলাইনের প্রথম গ্রুপ ভিজ্যুয়াল পোস্টার প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই ভক্তদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আসতে চলেছে ব্ল্যাকপিঙ্কের তৃতীয় এই মিনি অ্যালবামটি।

জেপজি সূত্রে জানা যায়, নতুন অ্যালবামের পাঁচটি গানের তালিকা প্রকাশ করেছে ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট। ‘জাম্প’, ‘গো’, ‘মি অ্যান্ড মাই’, ‘চ্যাম্পিয়ন’ শিরোনামের চারটি গানের কথা উল্লেখ করলেও পঞ্চম গানটি নিয়ে রহস্য রেখে দিয়েছে ব্ল্যাকপিঙ্ক।

উন্মোচিত হওয়া দুটি পোস্টারের একটির ভিজ্যুয়ালে দেখা যায়, দলের সদস্যরা ভাস্কর্যযুক্ত, সাদা রঙের পোশাক পরেছেন। ন্যূনতম স্টাইলিং এবং কোনো চটকদার প্রপস ছাড়াই তাদের পরিশীলিত সৌন্দর্য প্রকাশ পায় সেই পোস্টারে।

আর দ্বিতীয় পোস্টার একটি সাহসী লাল রঙের পটভূমিতে বানানো, যা দলটির অস্পষ্ট ক্যারিশমা তুলে ধরে। দুটি ভিজ্যুয়াল ধারণার মধ্যে বৈপরীত্য—একটিতে উষ্ণ সংযম, অন্যটিতে কমান্ডিং তীব্রতা। পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই কৌতূহল বাড়ছে সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে।

২০১৬ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে জিসু, জেনি, লিসা আর রোজে নামের সদ্য কৈশোর পেরোনো চার তরুণী ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টের মাধ্যমে গঠন করেন ব্ল্যাকপিঙ্ক। কে-পপ, বাবলগাম পপ, ইলেকট্রো পপ দিয়ে সংগীতের ভুবনে তারা আলোড়ন তোলে। ওই সময় সংগীতপ্রেমীদের পপসংগীতের একটি নতুন ধারার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে সক্ষম হয় ব্ল্যাকপিঙ্ক। দলটির চার সদস্যের প্রত্যেকেরই রয়েছে স্বতন্ত্র ভূমিকা। তাই তাদের এই দলে নেই কোনো দলনেতা বা লিডার। সদস্যদের সবাই যার যার স্বকীয়তা ধরে রাখেন। এই নতুনত্বই বিশ্বব্যাপী তাদের করে তুলেছে জনপ্রিয় ও অনন্য।