সারা আলী খানের মোট সম্পত্তি কত, আয় করেন যেভাবে

বলিউডে পা রাখার পর অল্প সময়েই নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন সারা আলী খান। নবাব পরিবারের সন্তান হলেও অভিনয়জীবনে নিজের জায়গা তৈরি করতে নির্ভর করেছেন পরিশ্রম ও প্রতিভার ওপর। অভিনয়ের পাশাপাশি তার আয়, সম্পত্তি ও বিলাসবহুল জীবনযাপন নিয়েও ভক্তদের আগ্রহ রয়েছে।
২০০৪ সালে বাবা সাইফ আলী খান ও মা অমৃতা সিংয়ের বিচ্ছেদ হয়। তখন সারা আলী খান ছিলেন ছোট। বিচ্ছেদের পর মা অমৃতা সিংয়ের কাছেই বড় হয়েছেন সারা ও তার ভাই ইব্রাহিম আলী খান। পরবর্তী সময়ে কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনা শেষ করে অভিনয়জগতে পা রাখেন সারা।
২০১৮ সালে ‘কেদারনাথ’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় তার। প্রথম সিনেমাতেই অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান তিনি। এরপর ‘সিম্বা’, ‘অতরঙ্গি রে’ ও ‘জারা হটকে জারা বাঁচকে’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে বলিউডে নিজের অবস্থান শক্ত করেন।
বিভিন্ন প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সারা আলী খানের মোট সম্পত্তির পরিমাণ আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা। তবে এই পরিমাণের কোনো আনুষ্ঠানিক হিসাব সারা নিজে প্রকাশ করেননি। ফলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এই অঙ্ককে আনুমানিক হিসাব হিসেবেই দেখা উচিত।
অভিনয়ের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ড প্রচার থেকেও আয় করেন সারা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, একটি সিনেমা বা ওটিটি প্রকল্পের জন্য তার পারিশ্রমিক কয়েক কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তার কারণে ফ্যাশন, বিউটি ও ফিটনেসসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচারেও তাকে দেখা যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সারার বড় অনুসারী রয়েছে। ফলে ব্র্যান্ডের প্রচারণা ও স্পনসরড কনটেন্ট থেকেও তার উল্লেখযোগ্য আয় হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।
মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় মা অমৃতা সিংয়ের সঙ্গে একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে থাকেন সারা আলী খান। তার গাড়ির সংগ্রহেও রয়েছে বেশকিছু দামি মডেল। এর মধ্যে মার্সিডিজ-বেঞ্জ জি-ওয়াগন, জিপ কম্পাস ও বিএমডব্লিউর গাড়ির নাম বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে।
তবে বিলাসবহুল জীবনযাপনের পাশাপাশি সাধারণ জীবনযাপনের জন্যও পরিচিত সারা। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তার সহজ-সরল জীবনযাপন ও পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি উঠে এসেছে।
নবাব পরিবারের সন্তান হলেও নিজের ক্যারিয়ার ও উপার্জনের মাধ্যমে বলিউডে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন সারা আলী খান। অভিনয়, বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক কাজ থেকে তার আয় যেমন বাড়ছে, তেমনই সময়ের সঙ্গে তার সম্পত্তির পরিমাণও বাড়ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে।


