ঐশ্বরিয়ার আপত্তি ছিল পিঠখোলা পোশাকেও

গ্ল্যামার জগতের বাসিন্দা হলেও সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ছিলেন লাজুক প্রকৃতির। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই লাইট-ক্যামেরার বাইরে সাধারণ এক তরুণী হিসেবে থাকতেই পছন্দ ছিল তার। বরাবরই খোলামেলা পোশাক পরতে অনীহা ছিল। এমনকি ঐশ্বরিয়ার মা বৃন্দা রাইয়েরও পছন্দ ছিল না এ ধরনের পোশাক।
বর্তমান সময়ে গ্ল্যামার জগতে খোলামেলা পোশাক খুব সাধারণ বিষয় মনে হলেও, নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ঐশ্বরিয়া ও তার মায়ের এ বিষয়ে ছিল কড়া আপত্তি। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের শুটিংয়ে পিঠখোলা ব্লাউজ পরতে চাননি বলে সেখানে চরম দ্বিধা দেখা দেয়। বিষয়টি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে খোলাসা করেছেন ওই সময়ের পরিচালক অবিনাশ ত্রিপাঠী।
একদিন এক শুটিংয়ে কোন পোশাকে কেমন লাগবে তা দেখার জন্য পরিচালক ডেকেছিলেন ঐশ্বরিয়াকে। এ সময় পিঠখোলা পোশাক দেখে আঁতকে উঠে জানান—‘আমাকে এটা পরতে হবে?’
পরিচালক ঐশ্বরিয়ার তখনকার আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘১৯৯২ সালের দিকে ঐশ্বরিয়া খুবই সাধারণ জীবন যাপন করতেন এবং পারিবারিক মূল্যবোধের বাইরে যেতে চাইতেন না।’
১৯৯২ সালের দিকে ঐশ্বরিয়া মিস ওয়ার্ল্ড হওয়ার আগে টুকটাক মডেলিং করেন৷ সেই সময় বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে সব সময় বাবা-মাকে নিয়ে আসতেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী। এমনকি প্রযোজক শৈলেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গেও ১৮-১৯ বছর বয়সী ঐশ্বরিয়া দেখা করার সময় বাবা-মা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: আনন্দবাজার
অবিনাশ ত্রিপাঠীর মতে, ঐশ্বরিয়া তখন এতটাই লাজুক ছিলেন যে, ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতেও দ্বিধাবোধ করতেন। তবে কাজের প্রতি তার নিষ্ঠা ছিল প্রশ্নাতীত। সেই সময় একটি ম্যাগাজিনের ক্যাটালগ শুটের জন্য নামমাত্র পারিশ্রমিক পান। মাত্র দুই বছরের মাথায় সেই সাধারণ মেয়েটি মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব জিতে পুরো বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেন।’