logo

রাজপালের সম্পদ নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল

রাজপালের সম্পদ নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল

পর্দায় তার উপস্থিতি মানেই হাসির ঝড়, নিখাদ বিনোদন। অথচ বাস্তব জীবনে এবার কঠিন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা রাজপাল যাদব। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর তাকে দিল্লির তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে। আদালত ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন তাকে। এ ঘটনার পর থেকেই তার আর্থিক অবস্থা ও সম্পদ নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ বেড়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ২০১০ সালে। নিজের পরিচালনায় প্রথম চলচ্চিত্র ‘আতা পাতা লাপাতা’ নির্মাণের জন্য তিনি দিল্লিভিত্তিক একটি সংস্থা থেকে পাঁচ কোটি রুপি ঋণ নেন। ২০১২ সালে ছবিটি মুক্তি পেলেও প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। ঋণ পরিশোধে জটিলতা তৈরি হলে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। ২০১৮ সালে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রাজপাল ও তার স্ত্রীকে ‘নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট’-এর ১৩৮ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন। পরে উচ্চ আদালতে আপিল করা হলেও সুদ-জরিমানা মিলিয়ে ঋণের পরিমাণ বেড়ে প্রায় ৯ কোটিতে দাঁড়ায়। আংশিক পরিশোধ সত্ত্বেও সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ না হওয়ায় আদালত আত্মসমর্পণের নির্দেশ বহাল রাখেন। আইনি জটিলতার মাঝেই সামনে আসে তার আয়-সম্পদের হিসাব।

বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে তিনি চলচ্চিত্রে কাজ করে উল্লেখযোগ্য পারিশ্রমিক পেয়েছেন। ‘ভুল ভুলাইয়া ২’-এর জন্য প্রায় ১.২৫ কোটি এবং ‘চান্ডু চ্যাম্পিয়ন’-এর জন্য প্রায় ২ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন বলে জানা যায়। সাধারণত প্রতি প্রজেক্টে ১ থেকে ২ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন তিনি। অনলাইনভিত্তিক একাধিক সূত্রে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৫০ থেকে ৮০ কোটির মধ্যে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

চলচ্চিত্র ছাড়াও ব্র্যান্ড পার্টনারশিপ, আঞ্চলিক ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ এবং সম্পত্তিতে বিনিয়োগ তার আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। বার্ষিক আয় আনুমানিক ৩০-৩৫ লাখ রুপির কাছাকাছি বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া তার সংগ্রহে অডি, বিএমডব্লিউসহ বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে বলেও জানা যায়। আইনি সংকট সত্ত্বেও ২০২৬ সালের জন্য তার হাতে রয়েছে একাধিক নতুন চলচ্চিত্র।