ববির বাসা থেকে প্রযোজক গ্রেপ্তার খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, দাবি নায়িকার

রাজধানীর গুলশান থেকে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ব্যবসায়ী ও চলচ্চিত্র প্রযোজক মির্জা আবুল বাশার মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার গ্রেপ্তারের পর দেশের বেশ কিছু গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, চিত্রনায়িকা ববির বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। এই তথ্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন নায়িকা ববি নিজেই।
গুলশান থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা মির্জা আবুল বাশার মামুনের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর শুক্রবার (১৯ জুন) দিবাগত রাতে গুলশানের একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন গুলশান থানার ওসি (অপারেশন) মো. মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, প্রাথমিক তল্লাশিতে বাসায় তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরবর্তীতে সন্দেহজনকভাবে বাথরুমের ফলস সিলিংয়ের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ঠিক কোন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি পুলিশ।
গ্রেপ্তারের পরপরই গণমাধ্যমে বাশার মামুনকে ববির ‘কথিত স্বামী’ উল্লেখ করে খবর প্রকাশ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নায়িকা ববি এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘যেখান থেকে এই বাশারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেই এলাকায় আমার কোনো বাসাই নেই। এছাড়া তার সঙ্গে আমার এমন কোনো সম্পর্কও নেই যে সে আমার বাসায় যাতায়াত করবে। আমার বাসা থেকে তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। যারা আমাকে জড়িয়ে এমন নিউজ করেছেন, তাদের আরও সচেতন হওয়া এবং নিউজ করার আগে আমার বক্তব্য নেওয়া উচিত ছিল।’
গ্রেপ্তার হওয়ার আগে এশিয়া পোস্টের হাতে আসা একটি ভিডিওতে স্বয়ং মির্জা আবুল বাশার মামুনও ববির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি অস্বীকার করেছিলেন। ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘নায়িকা ববির সঙ্গে আমার পারিবারিক বা ব্যবসায়িক কোনো সম্পর্ক নেই। এমনকি তিনি আমার প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরও নন। তাকে এবং তার পরিবারকে সামাজিকভাবে ছোট করার জন্য একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দেশের এই জনপ্রিয় নায়িকার সঙ্গে আমার নাম জড়াচ্ছে।’
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, বাশার মামুনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎসহ একাধিক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে তাকে গুলশান থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।